Friday, November 27, 2020

কর্তব্য

সংগঠন ( Organization) একটি সামাজিক প্রক্রিয়া।
এতে একদল মানুষ একটি সংগঠন কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে তৎপর থাকেন। একটি সংগঠণকে পরিচালিত করার জন্য কাউকে কিছু না কিছু দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয় অর্থাৎ নির্দিষ্ট কিছু পদ থাকে। এই সব পদে থাকা ব্যক্তিদের দায়িত্ব নিম্নরূপ :

১) সভাপতি : সভাপতি সংগঠনের প্রধান। তিনি পদাধিকারবলে সকল সভায় সভাপতিত্ব করেন। সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে তিনি ভোটদানের অধিকারি নন। তবে অচলাবস্থা নিরসনের জন্য তিনি কাস্টিং ভোট দিতে পারেন। সংগঠনের গঠনতন্ত্রের প্রতিটি ধারার যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা তার দায়িত্ব।

২) সহ-সভাপতি : সহ-সভাপতি সভাপতির সকল কাজে সহায়তা করেন। সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতি সভাপতির দায়িত্ব ও ক্ষমতার অধিকারি হন। এ ছাড়াও তিনি তার উপর অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করেন।

৩) সাধারন সম্পাদক : সাধারন সম্পাদক সংগঠনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি সভাপতির পরামর্শক্রমে সংগঠনের সভা আহ্বান করেন। তিনি প্রয়োজনবোধে অন্যান্য কর্মকর্তার ওপর বিভিন্ন দায়িত্ব অর্পন করেন এবং তাদের কাজের মধ্যে সংযোগ ও সমন্বয় সাধন করেন। সংগঠনের দৈনন্দিন কার্যকলাপের জন্যে দায়ি থাকেন। প্রতিটি সভায় তিনি সংগঠনের কার্যাবলীর রিপোর্ট পেশ করেন।

৪) সহ-সাধারন সম্পাদক : তিনি সাধারন সম্পাদকের সকল কাজে সহায়তা করেন। সাধারন সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তিনি সাধারন সম্পাদকের সকল দায়িত্ব ও ক্ষমতার অধিকারি হন। এছাড়াও তার উপর অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করেন।

৫) সাংগঠনিক সম্পাদক : প্রতিষ্ঠানকে সাংগঠনিক ভাবে সুদৃঢ় করতে সচেষ্ট থাকেন। সাংগঠনিক সম্পাদক সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য সর্বদা নিয়োজিত থাকবেন। সংগঠনের শৃঙ্খলা এবং ব্যাপ্তি ঘটানোর জন্য নিবেদিত প্রাণ হিসেবে কাজ করাই তার প্রধান। সংগঠনের সভাপতির সঙ্গে আলোচনাক্রমে তিনি সংগঠনের সকল সভা আহ্বান করবেন এবং সভার কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ করার ব্যাবস্থা গ্রহণ করবেন । সংগঠনের স্বার্থ সংরক্ষণের দায়িত্ব ও প্রশাসনিক কার্যভার তার উপর ন্যস্ত থাকবে এবং কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত অন্যান্য দায়িত্বও তাকে পালন করতে হবে । সংগঠনের নথিপত্র ও সম্পদ তাঁর তত্ত্বাবধানে থাকবে এবং এ ব্যাপারে তিনি একটি রেজিস্টার খাতা রাখবেন । সভাপতির সাক্ষর থাকবে । তিনি বছরের কার্যবিবরণী প্রস্তুত করবেন এবং তা কার্যকরী পরিষদেও অনুমোদনক্রমে, তা বার্ষিক সাধারণ সভায় পেশ করবেন ।

৬) সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: সাংগঠনিক সম্পাদকের সকল কাজে সহায়তা করেন। সাংগঠনিক সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তিনি সাংগঠনিক সম্পাদকের সকল দায়িত্ব ও ক্ষমতার অধিকারি হন। এছাড়াও তার উপর অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করেন।

৭) প্রচার সম্পাদক: পদের নামেই বোঝা যাচ্ছে তার কাজ কি হবে। মূলত প্রচার করাই প্রচার সম্পাদকের কাজ। তিনি যে সংগঠন বা প্রতিষ্ঠার প্রচার সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হবেন সেই সংযুক্ত প্রতিষ্ঠান, সংঘ বা দলের যেকোনো কার্যক্রম সম্পর্কিত খবরাখবর অন্যান্য কর্মকর্তা এবং প্রয়োজনে সাধারণ মানুষের নিকট পৌছে দেয়ার জন্য তিনি মুখপাত্রের ভূমিকা পালন করেন। প্রচার কাজের জন্য তার আওতাধীন অন্যান্য কর্মীরা থাকলে তাদেরকে পরিচালিত করাও তার কাজ। প্রচার কাজের জন্য সংযুক্ত চিঠি, নোটিশ, পোস্টার, ব্যানারসহ অন্যান্য ডকুমেন্ট তার দ্বায়িতে থাকবে।

৮) কোষাধ্যক্ষ : সংগঠনের যাবতীয় অর্থ তার মারফত ব্যাংকে জমা থাকে। তিনি প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের হিসাব রক্ষা ও প্রদান করেন। বিভিন্ন বিভাগের আয়-ব্যয়ের সমন্বয় করেন।

৯) দপ্তর সম্পাদক : সংগঠনের যাবতীয় জিনিসপত্র দেখাশোনা ও সংরক্ষণ করেন। --এ ছাড়াও সংগঠনে অর্থ সংক্রান্ত, গবেষণা, তথ্য, , প্রকাশণা ইত্যাদি বিভাগে সম্পাদক থাকতে পারেন।

১০) সদস্যমণ্ডলী : সংগঠনের কার্যকরী কমিটিতে একাধিক সদস্য থাকেন। তারা কার্যকরী কমিটি প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করেন। একজন সদস্য তার কাজের জন্য কার্যকরী পরিষদের কাছে দায়ি থাকেন।

Thursday, November 26, 2020

একটি_ছেলের_একাদশী_ব্রত_পালন

একটি_ছেলের_একাদশী_ব্রত_পালন

ওঁ তৎ সৎ
আজ বলবো, এক ছেলের জীবনের প্রথম একাদশীর উপবাস থাকার কথা।
ছেলেটার এতগুলো বছর কেটে গেলো কোনোদিন এই উপবাস করে নি। কতজন যে তাকে বলেছে, দেখো, তুমি তো মনে হয় আধ্যাত্মিক জগতের মানুষ, কারণ, তোমার কথাবার্তার ধরণও আধ্যাত্মিকের মতই। তোমার অনেককিছুই ভালো লাগে কিন্তু একটা জিনিস ভালো লাগে না। এই যে একাদশীর উপবাস থাকো না। কোন ব্রত রাখো না। আবার কথাও বলো পাকা পাকা...!
ছেলেটা এতদিন এসব কথার পেছনে যে কত যুক্তি দিয়েছে। সেগুলো তারা শুনে আরো কোনো কথা বলার সুযোগ পায়নি।
ছেলেটাকে অনেকের মধ্যে বিশেষ করে যারা একাদশীর ব্রত থাকা নিয়ে কথা বলতেন, তাকে ব্রত পালন করার জন্য বিভিন্ন কথা বলতেন এমনকি এখনো বলেন তারা হলেন, শ্রী সুজিৎ কুমার  দত্ত, শ্রী দিপংকর হাওলাদার, শ্রী বলাই কুমার পাল, শ্রী বৈকুণ্ঠ সরকার, শ্রী দিপক বৈরাগী প্রমুখ।

কিন্তু ছেলেটা এবার করলো কী? মনে মনে স্থির করলো যে, একটা ব্রত অন্ততপক্ষে পালন করার চেষ্টা করি, দেখা যাক কী হয়? কেমন লাগে? পরবর্তী ব্রত থাকার কথা না হয় পরে দেখা যাবে। তাই সে গত কাল (২৬ নভেম্বর, ২০২০) যে একাদশীর ব্রত, সেটা পালন করার জন্য যথাযথ চেষ্টা করে। যদিও নিয়ম-কানুন তেমন কিছুই জানে না ছেলেটি, তবুও ঠাকুরের শ্রীচরণে দেহ মন অর্পণ করে শুরু করে ব্রত। অনেকে বলে থাকেন যে, যদি কেউ নির্জলা ব্রত থাকতে না পারে তাহলে সে কিছু ফল-জল সেবা তা করতে পারে। এতে দোষের কিছুই নেই, মূল কথা হচ্চে তার সংযম বা লক্ষ্য ঠিক আছে কি না!

তাই সে দুপুরে দুটো কলা, রাতে দুটো কলা ও অর্ধেকটি কমলা সেবা করে এবং ঠাকুরের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে... সাথে সকাল, সন্ধ্যায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মুখনিঃসৃত বাণী শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা অধ্যয়ন করে। পরদিন সকালে নিজে হাতে খিচুরি রান্না করে ঠাকুরকে নিবেদন করে নিজে প্রসাদ গ্রহণ করে।

এখন, সেই ছেলেটি এই একাদশীর ব্রত রাখার চেষ্টার মাধ্যমে যে বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছে তা হলো— এই একাদশী ব্রত শুধু একক দৃষ্টিকোণ থেকে নয় বরং এমন ব্রত প্রতিটি মানুষেরই করা কর্তব্য। কেননা, এতে শারীরিক যেমন উপকার আছে তেমনি আছে মানসিক উপকার। এতে মনের তথা শরীরের অনেক ব্যাধিও দূরীভূত হয়ে যায়। সেইসাথে পরমানন্দ তো আছেই...! আর যদি কেউ যথাযথ নিয়মে এই ব্রত পালন করতে পারে সেক্ষেত্র তো সে যথাযথই ফল লাভ করবে এতে কোনো সন্দেহ নেই বলে শ্রীভগবানের প্রতি ছেলেটির এই বিশ্বাস জন্মেছে।

তবে, কথাও আমাদের স্মরণ রাখতে হবে যে, শুধু না খেয়ে কিংবা অনাহারে থাকার নামই কিন্তু ব্রত পালন নয়, ব্রত পালনের মূল কথা নিজেকে যথাযথ সংযত রাখা। ঠাকুরের শ্রীচরণে সদা নিজেকে অর্পণ করে দেয়া, তাঁর স্মরণ নেয়া। লোভ, হিংসা, অহঙ্কার প্রভৃতি মনোভাব বর্জিত হয়ে তবেই ব্রত পালন করা কর্তব্য।

তাই, আসুন আমরা সবাই যথাযথ ভাবে শ্রীশ্রী একাদশী ব্রত পালন করি, সুস্থ সুন্দর জীবন গড়ি, পরমানন্দ লাভ করি।
হে ভগবান! তুমি সকলের মঙ্গল করো প্রভু!
                            || জয় মা ||


#কলমে : সুব্রত মণ্ডল সৃজন
#প্রকাশনায় : তরুণ ধর্মের আলো

Wednesday, November 11, 2020

সংগঠন পরিচিতি ও সদস্য ফরম

ওঁ তৎ সৎ
"এসো, আঁধারে জ্বালাই আলো"
"তরুণ ধর্মের আলো" সংগঠন সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন এখানে>> https://add.lat/GuUMA  (PDF)

"তরুণ ধর্মের আলো" সংগঠনের নিবন্ধিত সদস্য হতে ক্লিক করুন এখানে>> https://bit.ly/33QOzD6 (Form)

Wednesday, November 4, 2020

সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়

"তরুণ ধর্মের আলো" সংগঠন কর্তৃক পরিচালিত
'সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়' উদ্বোধন সম্পর্কিত প্রাথমিক তথ্যসমূহ :

===============================

* 'তরুণ ধর্মের আলো' সম্পর্কে জেনে নিন।

* 'সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়' উদ্বোধন সামগ্রী (গ্রন্থাদি, খাতা, কলম, ব্যানার ইত্যাদি) 'তরুণ ধর্মের আলো' কর্তৃক প্রদান করা হবে।

* 'সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়' পরিচালনা কমিটির সদস্যদের 'তরুণ ধর্মের আলো'র নিবন্ধিত সদস্য হতে হবে।

* 'সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়ে'র সদস্যদের  একটা তালিকা 'তরুণ ধর্মের আলো'র কাছে প্রদান করতে হবে।

* সদস্যদেরকে একটি করে 'সদস্য ফরম' পূরণ করতে হবে।

* 'তরুণ ধর্মের আলো' কর্তৃক সবাইকে একটা করে পরিচয়পত্র প্রদান করা হবে।

* 'সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়ে'র সদস্যদের কাছ থেকে সাপ্তাহিক/মাসিক প্রণামি উত্তোলন করবেন—পরিচালনা কমিটি। সেই প্রণামী পরিচালনা কমিটিতেই রাখা হবে এবং সেখান থেকে প্রতি মাসে 'তরুণ ধর্মের আলো' সংগঠনে একটা অংশ (.....%) প্রণামি হিসেবে প্রদান করবেন, প্রয়োজনে সংগঠনের যেকোনো কল্যাণে ব্যয় করা হবে।

* 'সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়' পরিচালনা সম্পর্কিত তথ্য পরবর্তীতে (দ্রুত) জানিয়ে দেয়া হবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য :
* 'সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়' থেকে যেকোনো সিদ্ধান্ত 'তরুণ ধর্মের আলো'র সাথে পরামর্শ করে গ্রহণ করবে।
* বিশেষ কারণে নীতিমালা সংশোধন হতে পারে।

ধন্যবাদান্তে ও শুভ কামনায় : #তরুণ_ধর্মের_আলো

Thursday, October 22, 2020

সদস্য ফরম

https://bit.ly/33QOzD6

তরুণ ধর্মের আলো’ সংগঠনের সদস্য ফরম

Saturday, October 10, 2020

অন্যরকম চিন্তা-চেতনা🕊

অন্যরকম চিন্তা-চেতনা🕊
আর জে জয় সৃজন

প্রকৃত বিবেক-বুদ্ধি, শক্তি, শ্রুতি, স্মৃতি-ই সৃষ্টির মাধ্যম৷
বাস্তবতাই জীবন, মানবতাই পরম ধর্ম। সৃজনশীলতা মানেই নতুন কিছু সৃষ্টি করা।
আমার উপলব্ধি চিন্তা-ধারার কথাগুলো— মানে, কোন বস্তু ও মানুষ বা কোন জীব সম্পর্কে সঠিক ও ভালো করে না জেনে না, না বুঝে তর্ক করা, কথা বলা ও সন্দেহ করা উচিত নয়। 

ভালো করে জানা ও বুঝার মাধ্যম হচ্ছে— উপলব্ধি, বিবেক এবং মন এই হলো আমাদের ত্রিনয়ন৷ এই ত্রিনয়ন সম্পর্কে সকলে বোঝার চেষ্টা করে না। এর কী ক্ষমতা তাও জানে না, জীবের জন্য এই ত্রিনয়ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

অনেকেই বলে থাকে, দুই চোখ থাকতেও সে অন্ধ৷ এর ব্যাখ্যা অনেক বড়, অনেক কথা৷ তাই যার ত্রিনয়নের আলোর জ্ঞান আছে সে কখনোই অন্ধ নয়  দুইচক্ষু না থাকলেও৷ এই ত্রিনয়নের গুরুত্ব ও মূল্য অপরসীম। এর কারণ ত্রিনয়ন দিয়ে প্রকৃত সত্য উপলব্ধি করা ও  ভাল মন্দ চেনা যায়, দেখা যায়, পাওয়া যায়, ভালো কিছু করা যায়। এই ত্রিনয়ন ছাড়া মানুষ সঠিক পথে চলতে পারে না৷ 

একটু ভাবুন, আমরা মানব জাতি, অনেকেই দু-নয়ন থাকতেও অন্ধ। বিবেক, মন, জ্ঞান থাকতেও প্রকৃত বিবেক মন নেই ও দিন দিন মনুষ্যত্ব, ন্যায়-নীতি, বিশ্বাস, ভালোবাসা, ভক্তি, সঠিক পথ, প্রকৃত জ্ঞান হারিয়ে যাচ্ছে অতি সকালে, তা হলে কিসের আমরা সৃষ্টির সেরা ? সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ নামের মানব জাতি?

আমাদের এই মানব দেহে বিশেষ অঙ্গ, আমাদের এই দুই চোখের ভূমিকা অনেক। তাই এই অঙ্গের দ্বারা অনেক ভালো ভালো, সৎ, সঠিক কিছু করা যাচ্ছে ও যায়৷ তা হলে কেন নেতিবাচক চিন্তা করি ও করতেছি আমরা মানব জাতি?

 যেমন—চোখ থাকতেও অন্ধ। এর চেয়ে আর দুঃখ জনক কি হতে পারে একটি মানুষের জন্য? কারন যেমন দু-নয়ন থাকতেও অন্যায়, অপরাধ, দিন-রাত অসৎ ও অনৈতিক কাজ করা, অসৎ পথে চলা,
চুরি, ডকাতি, ছিন্তাই, অতি লোভ-লালসা, ধর্ষণ, রক্তপাত, পশু-পাখি, জীবকে অন্যায়ভাবে হত্যা৷ সত্যকে মিথ্যা বানিয়ে বলা, অবিশ্বাস করা, ঘুস খাওয়া, অন্যের টাকা-পয়সা, জায়গা-জমি, বাড়ি-গাড়ি আত্বসাৎ করা ইতাদি খারপ দিক চোখ থাকতেও আমরা করে থাকি! ছি!
তাই চোখ থাকতেও অন্ধ। চোখের মর্ম বুঝতেছিনা আমরা৷ এই চোখের সাহায্যে আমরা অসৎ কাজ করতেছি! ছি!




 তাই সময় থাকতে ত্রিনয়নের দ্বারা ভালো কিছু করি, ভালো কিছু ভাবি এবং দুই নয়নের মাধ্যমে সৎ পথে চলি, সৎ কর্মকাণ্ড করি, সঠিক চিন্তা-ধারার ভালো  কাজ, আলো, জ্ঞান, ধ্যান, বুদ্ধি, বিবেক জাগ্রত করি আমরা মানব জাতি। এবং তরুণ তথা মানব সমাজে মানবতা, ন্যায়-নীতি, নৈতিক শিক্ষাবোধ গড়ে তুলি। তবে তার আগে এই সব আপন বিবেকে ধারণ করি৷ নিজেকে আগে সৎ ও সঠিক করে ভালো ভাবে গড়ে তুলি বাস্তব জীবনে। এই সমাজে ভালোবাসার জগৎ সংসারে🌏।

কারণ, মানুষের, জীবের, সমাজের, দেশের, বর্তমান অবস্থা ও পরিস্থিতি খুব খারাপের পথে! তবে সামনের দিনগুলোতে আরো করুণ অবস্থা ধারণ করতে পারে। বর্তমান যে পরিস্থিতি এগুলোকে উপলব্ধি করে ও দেখে বলতেছি এই কথাগুলো। 

তাই বিশেষ করে মা, বাবা, পরিবার ও তরুণ সমাজকে বলতে চাই একটি কথা, আপনারা এই কথাটি চিন্তা করবেন—কেন হচ্ছে এমনটা? কী জন্য হচ্ছে এই অনৈতি কর্মকাণ্ড? কাদের জন্য হচ্ছে এই সব? এসবের দ্বায় কারা? কাদের অবহেলায় এই সব হচ্ছে? আর আমাদের কী করা উচিত? 

একটি সন্তানকে জন্ম দিলেই হবে? তাদের মানুষের মত মানুষ করতে হবে, সুন্দর করে গড়ে তুলতে হবে, সৎ পথ দেখাতে হবে তাদের নিয়ে ভাবতে হবে।

 টাকা-পয়সা, জায়গা-জমির লোভ করে কী হবে? এসব কি সাথে যাবে, নাকি একটি প্রকৃত সৎ সন্তান  রেখে যাওয়া উচিত চলে যাবার আগে এই জগৎ সংসারে? অবশ্যই তাই...

একটি প্রশ্ন, বাবা-মা হিসেবে আমাদের দায়িত্ব কতটুকু একটি সন্তানের প্রতি?
আমি নিজ থেকে যতটুকু বুঝি যে, সবার আগে মাতা পিতার দায়িত্ব, ভূমিকা ও কর্তব্যের গুরুত্ব অনেক বেশি, একটি সন্তানকে সুন্দর, সৎ ও আদর্শবান সন্তান গড়ে তোলার জন্য এই সমাজের মাঝে৷

তবে মা-ই সৎ ও সঠিক শিক্ষার প্রথম পথপ্রদর্শক একটি সন্তানের জন্য। মাতা শিক্ষাগুরু, পিতা দিক্ষাগুরু, পরমগুরুর কৃপায় এই জগৎ সংসার চেনা যায়৷ আর শিক্ষক জ্ঞান ও আলো দান করেন ছোট থেকে প্রকৃত বড় হওয়ার জন্য। অজানা কিছুকে সুন্দর করে বুঝিয়ে সঠিক পথে চলার মন্ত্র দান করেন।

এভাবে আমরা আমাদের জীবনকে সুন্দর করে সাজিয়ে নিতে পারি... আর আমাদের তারুণ্য প্রকাশ করে আলো জ্বালাতে পারি অন্ধকারেও!

জয় হোক মানবতার, জয় হোক তরুণের,
জয় হোক 'তরুণ ধর্মের আলো'র।

××××××××××××××××××××××××××××××××××
রচনা :
দিন : মাস : সাল :: ঘন্টা : মিনিট।
[১০ : ১০ : ২০২০ :: ১০ : ১০]