Sunday, September 29, 2019

২৮★ দিদি ও ভাইয়ের কথা//সুব্রত মণ্ডল সৃজন

অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা পোস্ট::
পড়বে অবশ্যই, মতামতের অপেক্ষায় রই>

দিদি ও ভাইয়ের কথা 
সুব্রত মণ্ডল সৃজন

★অনেক ভালোবেসে ও আদর করে,
ভারতের এক দিদি তার বাংলাদেশি এক ভাইকে বলছে,
"আচ্ছা ভাই দেখ তোদের আত্মীয়রা সবই ভারতে। শুধু তোরাই একমাত্র বাংলাদেশে।
তোদের এখানে সবাই কত ভালোবাসে!
তোরা ভারতে চলে আয় ভাই......"

ভাই বলছে,
" দিদি দেখো চাঁদ আকাশে থাকে, চাঁদকে সবাই অনেক  ভালোবাসে, সবাই কছে পেতে চায়। কিন্তু চাঁদ কখনো তাদের কাছে আসে না, আসে চাঁদের কিরণ।
আর চাঁদ এতই দয়ালু যে, কেউ যদি তাকে ভালো নাও বাসে তবুও সে সূর্যের কাছ থেকে কিরণ নিয়ে তা আবার সবার মাঝে বিলিয়ে দেয় রাতের আঁধারে একটু আলো দেবার জন্য।....."
--------------------------///--------------------------
কৃষ্ণনগর, নদিয়া, কলকাতা, ভারত
৮/৮/১৬

২৭★ সৃজন চিন্তা : নিজের দুর্বলতা


Monday, September 23, 2019

26★ ==[WE ARE WAITING FOR YOU]==আপনার আছি আপনার অপেক্ষায়


আপনাকে স্বাগতম•••Welcome To TDA DK 2015
আপনার আছি আপনার অপেক্ষায়
         ==[WE ARE WAITING FOR YOU]==

:: Please Visit & Join In Our Addresses ::
:: এক নজরে আমাদের ঠিকানাসমূহ ::
           %%%নিচের Linkসমূহে Click করুন%%%
      °.             °.                  °.                °.                °. 
1. সদস্য হওয়ার আবেদন ফরম :
 https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeI62QPqJ4kscp18719WyjY6_Y399yPMA9RrfdOzdk75CGEBA/viewform

2.  SUBSCRIBE YouTube Channel link : 

2. Official Website link : 
https://tdadk2015.blogspot.com/?m=1

3. Official Facebook Like Page link : 
https://www.facebook.com/তরুণ-ধর্মের-আলো-569471316528527/

4. Official Facebook Join Group link : 
https://www.facebook.com/groups/308866086171618/

5. Official Email ID 
tdadk2015@gmail.com

6. Facebook ID of S Mandol S : 
https://www.facebook.com/Pakhi.Khanca.72544


আপনাকে ধন্যবাদ•••Thanks a lot....
       তরুণ ধর্মের আলো//Tarun Dharmer Alo

Saturday, September 21, 2019

২৫★ কাম থেকে নাম//সুব্রত মণ্ডল সৃজন


কাম থেকে নাম
সুব্রত মণ্ডল সৃজন


"কিছু কিছু মানুষ আছে
যখন তাদের মাঝে কামভাব জাগ্রত হয়,
তখনই তাদের মাঝে আবার নামের উদয় হয়।"

২৪★ সোনার বালা পড়াবি কার হাতে?//সুব্রত মণ্ডল সৃজন

নিচের গানটা 'উড়াল পাখি-২' নাটকের
বিদ্যুৎ ও পাখিকে উৎসর্গ করা হলো!

সোনার বালা পড়াবি কার হাতে?
সুব্রত মণ্ডল সৃজন

সোনার বালা পড়াবি কার হাতে?
কিনলি যাহার লাগি সোনার বালা
সে নাই পৃথিবীতে!!
সোনার বালা পড়াবি কার হাতে?

তোরে কতো বাসতো-ভালো
তুই তো বুঝিস'নি,
খাবার নিয়া যাইতো মাঠে
সঙ্গে নিতো পানি।
স্কুলে একা যাইতো না
তোরে নিতো সাথে।।
সোনার বালা পড়াবি কার হাতে?

পাঁখিটা যে তোরে নিয়া
চাইছিলো ঘর বাঁধিতে,
পারলি না পারলি না তারে
নিজের কাছে রাখিতে।
কেন হারাইয়া খুঁজিস ওরে
কাঁদিস দিনে-রাতে!!
সোনার বালা পড়াবি কার হাতে?

ওরে, 'উড়াল পাখি' দিয়া ফাঁকি
গেলো রে চলিয়া,
জড়াইয়া ধরলেও তারে
পাবি না ফিরিয়া।
সুব্রত তাই ভেবে ভেবে
সদাই এখন কাঁদে।।
সোনার বালা পড়াবি কার হাতে?

রচনা : ২২-০৭-২০১৯/দিগনগর বাজার।
বি:দ্র: গানটি 'উড়াল পাখি-২' নাটক অবলম্বনে রচিত।
কৃতজ্ঞতা : দয়াল দাদার প্রতি।

Tuesday, September 17, 2019

২৩★ ডাক্তারের কথা রাখতে/সুব্রত মণ্ডল সৃজন

ডাক্তারের কথা রাখতে

সুব্রত মণ্ডল সৃজন



শুরুতেই স্বামী বিবেকানন্দ-এর একটি কথা মনে পড়ে যায়,

"অপরকে ভালোবাসা-ই ধর্ম"!


প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যখন পড়তাম (২০০১-২০০৫ সাল পর্যন্ত)। স্কুলের টিউবওয়েল নষ্ট হলে, জল পান করতে যেতাম পাশের এক বাড়িতে। টিউবওয়েলে আমাদের দেখলেই বাড়িওয়ালা ও বাড়িওয়ালি আমাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালা-গালি করতো, তখন অত কিছু বুঝতাম না, তাই পিপাসা পেলেই ওই বাড়ি যেতাম। আবারও বলতো---


_ তোগো না নিষেধ করছি, আমাগো বাড়ি আর জল খাইতে আসবি না! আবারো আইছোস!


এই বলে দিত ধাওয়া। আর বলতো---


_ ফের আসলে অয়, দেইখ্যা নই আর একবার!.....


আমরা দৌড় দিয়ে চলে আসতাম, কিছুই মনে করতাম না, তয় মনের মইধ্যে খানে কষ্ট লাগতো! ভাবতাম, ওই বাড়িই তো কাছে, আর যাবোই বা কোন বাড়ি?


পরের দিন চানাচুর, বাদাম ইত্যাদি খেয়ে আবার যেতাম,,,,,,,


স্যারেরা টিউবওয়েল ঠিক করে দিত, আবার নষ্ট হয়ে যেত, নষ্ট হলেই আমাদের ঘাটি ওই একটা বাড়ি-ই।


এভাবেই কেটে যায় আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জল পানের দিনগুলো। যা আজ আমার স্মৃতিতে ইতিহাস।


 


আর এখন (২০১৮ সাল) থাকি এক "রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম"-এ। দুই ববছর হলো এখানে আছি। এটাকে বলা হয় স্বামী বিবেকানন্দ ছাত্রাবাস। এখানের কোন এক কক্ষের ছাত্র আমি।


পড়া-লেখা অনার্স চতুর্থ বর্ষ (বাংলা)! জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে।


 


তো, বেশ কিছুদিন যাবৎ আমার উপরের ঐতিহাসিক দিনগুলোর কথা মনে পড়ছে, মনের মাঝে ভীষণভাবে নাড়া দিচ্ছে....


 


এখানকার কয়েকদিন যাবৎ যে ঘটনার সম্মুখিন হতে হয়েছে, তার কিছু ঘটনাঅংশ----


 


আমাদের (ছাত্রদের) টিউবওয়েল আছে, তবে জল তার সুপেয় নয়। লাল লাল কি যেন জমে থাকে জগ/বোতলের মাঝে, জল পান করতে মনে টানে না।


কর্তৃপক্ষ ছাত্রদের জন্য আলাদা করে সপ্লাই জলের সুব্যবস্থা করেছে। কিন্তু এখানের জলও তেমন সুবিধা মনে হয় না। এই জলের নিচে পড়ে সাদা সাদা গুড়ি গুড়ি কী যেন, জল মুখে দিলে মনে হয় জলটা অনেক গাড়ো, গলা দিয়ে নিচে নামতে চায় না ইত্যাদি।


 


কিন্তু, কর্তৃপক্ষের ডাইনিংয়ে যে সাপ্লাই জল, তা এক কথায় "সুপেয়"। যা পান করলে দোকান থেকে কেনা জলের অবিকল মনে হয়। এই জলে, কোন তলানি তো পড়েই না, তাছাড়া পান করলে মনে হয়-জল খুবই তরল, সুপেয়, কেনা জলের মতো ইত্যাদি।


এ কথা বলে রাখা ভালো যে, মিশনের এসব উন্নতির জন্য প্রত্যেকের সিটভাড়া ৭০০-এর সাথে আরও ১০০ টাকা করে বাড়িয়েছে। অর্থাৎ, ছাত্রদের টাকায়ই হয়েছে বলে ধারণা করতে পারি।


 


কিন্তু কেন বললাম এত কথা?


যখন কর্তৃপক্ষের ডাইনিংয়ে ১.৫ লিটারের এক বোতল জল আনতে যাই, কর্তৃপক্ষীয় একজন বলে যে,


_ এখান থেকে জল নেওয়া যাবে না। বাইরে থেকে নিবে। এখানকার জল মহারাজদের জন্য।


আর একজন বলে,


_ কী জল নিবি?


_হ্যাঁ মহারাজ।


_ কোথা থেকে?


_ এই ডাইনিং থেকে।


_ না, বড় মহারাজের নিষেধ আছে, তোমাদের ফিল্টার দেওয়া হয়েছে, সেখান থেকে নিবে। আগে খাইতে কী জল? কলের জল! তা তো ভালোই খাইতে.....


_ আচ্ছা, (বড় একটা নিঃশ্বাস ছাড়লাম) বড় মহারাজ নিষেধ করলে নিবো না, মহারাজ।


_ যাও, আজ নিয়ে যাও।


আরও কত কী.........


কী আর করার, আনলাম এক বোতল জল। শেষ হলে আবার যাই বোতল হাতে করে। কর্তৃপক্ষীয় কেউ দেখলে যা বলার বলে, বলুক, কিছুই মনে করি না।


প্রাথমিক জীবনে যেতাম জল পেতাম না তাই। আর এখন বারবার যাই, কারণ ডাক্তার বলেছে "সুপেয়" জল পান করতে। নইলে, স্বাস্থ্যের ক্ষতি হবে। ডাক্তারের কথা রাখতে তাই, সেই শিশু সুলভ আচরণ পরিস্থিতির শিকার হয়ে এখনো করতে হচ্ছে....


 


রচনাঃ ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ।


রাত ১২:০১_০১:১৫ এ.এম


স্থান : রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম, ফরিদপুর, বাংলাদেশ।!


২২★ চলে যাবার লগ্নে//সুব্রত মণ্ডল সৃজন

চলে যাবার লগ্নে _ সুব্রত মণ্ডল সৃজন

চলে যাবার লগ্নে
সুব্রত মণ্ডল সৃজন

চলে যাবে ভেবে
হৃদয়টা একা কাঁদে!
মরুভূমি হবার সংকেত নামে
হৃদয়ের ভূখণ্ড জুড়ে!

আর কি হবে না দেখা?
আর কি হবে না
ফুটপাথ ধরে ধারাবাহিক আদ্র সংলাপ?
রিক্সায় চড়া
কিংবা মেলায় ঘুরে ঘুরে
নাগর-দোলার চমকিত দোলায়
দাঁড়ি-কমা বিহীন চোখাচোখি!

কিছুই তো হলো না দেয়া!
অথচ কবে থেকে হৃৎপিণ্ডে
একখণ্ড প্রেম বয়ে চলেছে তোমার জন্য,
সম্মতির আঙুল নড়ে উঠলেই 
দিয়ে যাবো সব- মুঠো মুঠো প্রেম।

এবার শেষ পেরেক ঠুকে দাও 
প্রতীক্ষার কফিনে....।

২১-৫-২০১৯/ফরিদপুর

২১★ আমার ভুল//সুব্রত মণ্ডল সৃজন

আমার ভুল

"আমার ভুলটা হয়তো ওখানেই ছিলো যে, সম্পর্কের শুরুতে তোর কানে আমার মুখ থেকে নিম পাতার রস দেয়া হয় নাই। যা খুবই দরকার ছিলো।এখন মনে চাইলেও দিতে পারি না!দিয়েছিলাম মধু, যা ছিলো অপ্রয়োজন, কিন্তু বুঝতে তখন পারি নি। যা এখন বুঝতে পারতেছি। থাক কিছু মনে করিস না।" --- সুব্রত মণ্ডল সৃজন

Saturday, May 4, 2019

২০★ পঙ্কজ স্যারের জন্মদিনে//সুব্রত মণ্ডল সৃজন

পঙ্কজ স্যারের জন্মদিনে
সুব্রত মণ্ডল সৃজন

স্যার আমাদের Pankaj Sikder.
মোদের শিক্ষাগুরু,
করেন তিনি বৃক্ষের আবাদ
ভূমি হলেও মরু!

জীবন চলার পথে
পেয়েছি যে আলো,
আমাদের প্রিয় শিক্ষক তিনি
সবাই বাসি ভালো।

২৮ মার্চ, ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দ
স্যারের জন্ম হয়,
৪৩তম জন্মদিনে আজ
হিসাবে তাই কয়।

জন্মদিনে স্যারের প্রতি
করি শ্রদ্ধা নিবেদন,
স্যারের মাতা-পিতার পদে
প্রণতি করি অর্পণ।

রচনা : ২৮-৩-২০১৯!ভাংগা হতে ফরিদপুর!

১৯★ না পাইয়া খায়//সুব্রত মণ্ডল সৃজন

Sunday, March 24, 2019

না পাইয়া খায়

সুব্রত মণ্ডল সৃজন

ভাত না পাইয়া
চা ইনি খায়,
চিনি পায় না তিনি
মধু তাই দেয়,
চা' পাতার আকালে
আদা, তুলসী দেয়,
মাটির কাপের অভাব তাই
কাঁচের কাপে খায়।
হায় হায় রে হায়!!
আমি যে আইলাম
এ কোন জামানায়?


বি:দ্র: চায়ের উপাদান কই গেলো?
২৪-৩-২০১৯!ফরিদপুর!

১৮★ চিঠি এসেছে//সুব্রত মণ্ডল সৃজন

চিঠি এসেছে
সুব্রত মণ্ডল সৃজন

চিঠি এসেছে... আমার ঠিকানায়।
চিঠি এসেছে... বউয়ের হাতের লেখায়।।

সে চিঠিতে আছে লেখা,
"আর কতকাল রবো একা?
ঘুম যে আসে না আমার
দু' চোখের পাতায়।। চিঠি এসেছে

ক্যামনে তুমি দূরে থাকো?
বা'...ড়িতে আসো ওগো
একা আমি থাকি নারী
এই অন্তর জ্বলে যায়।। চিঠি এসেছে

যৌবনেরই জ্বালা নিয়া
কার কাছেতে থাকি গিয়া?
তুমি তো প্রাণের স্বামী
ক্যান বোঝো না হায়!!" চিঠি এসেছে

সুব্রত কয় আসবো বাড়ি
থাকো একটু ধৈর্য ধরি
দূরদেশে থাকি আমি
এ পরাণেও তোমাকেই চায়।। চিঠি এসেছে

রচনা: ২০-০৩-২০১৯!ফরিদপুর!

১৭★ অন্তরের মায়ায়//সুব্রত মণ্ডল সৃজন

অন্তরের মায়ায়
             সুব্রত মণ্ডল সৃজন
উৎসর্গ : বন্ধুু শিল্পী জীবন বাবু'কে।

আকাশের চাঁদ হাতে পেলে,
কেউ কি ছাড়তে চায়?
যেমন করে আজ আমি
পেয়েছি তোমায়!!

ভাবতেই তো অবাক লাগে
তুমি আমার  কুঁড়েঘরে
তোমার মত এমন 'জীবন'
আর কি হতে পারে?
অমৃত আমি পেলাম যেন
তোমারই ছোঁয়ায়।।

কাল সকালে চলে যাবে
যখন পড়ে মনে
পরাণ পাঁখি কান্না করে
মনেরই এক কোণে
চলে গেলে আসবে কি আর
তুমি মোদের গাঁয়?।।

দুপুর-বিকাল-সন্ধ্যা গেলো
রাত্রি এলো নেমে
সুব্রত যে হইলো পাগল
বন্ধুু তোমার প্রেমে
বন্ধুু তুমি জড়িয়ে গেছো
অন্তরের মায়ায়।।

-----
রচনা: ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
স্থানঃ দিঘলকান্দী, দিগনগর, মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ।
(পথে আছি দেখা হয়েছে)

১৬★ তুমি মোদের একজনা//সুব্রত মণ্ডল সৃজন

 ★ তুমি মোদের একজনা

         তুমি মোদের একজনা
                সুব্রত মণ্ডল সৃজন
উৎসর্গ : বন্ধু কিশোর'কে।
               উৎসাহ দিছে : পলাশ শিকদার

জানি তোমার ভালোবাসার
কোনো মূল্য পারবো না দিতে,
তুমি মোদের দাদা, বন্ধু...
রয়েছো মোদের চিত্তে।

দেখা যখন হয় দাদা
কোথাও তোমার সনে,
রিক্ত হৃদয়ে জেগে ওঠে
পরমানন্দ সেই ক্ষণে।

একের পরে এক জিজ্ঞাসা
যতই করে যাই,
মনের মত করে আমরা
সতল জবাব পাই।

মুগ্ধ হয়ে তোমার কথা
আমরা যখন শুনি,
সত্যিই তুমি নও শুধু জ্ঞানী
তুমি অনেক গুণী।

তোমার কাছে গেলে পরে
পাই যে মানবতার নিশানা,
প্রভু জগদ্বন্ধু'র কৃপায় দাদা
তুমি মোদের একজনা।

কখনো তো তুমি মোদের
খালি হাতে ফিরাও না,
তুমি বন্ধু, বন্ধু কিশোর
তোমার মত আর পাই না।



রচনা : ২১-০৩-২০১৯!ফরিদপুর!
!★দোল পূর্ণিমার শুভেচ্ছা★!

১৫★ ভক্তি করো সবার আগে//সুব্রত মণ্ডল সৃজন

ভক্তি করো সবার আগে
সুব্রত মণ্ডল সৃজন

ভক্তি করো সবার আগে
মাতা-পিতার পায়,
যাঁদের অবদানে তুমি
এলে এই ধরায়।
শিকড় যেমন বৃক্ষকে
শক্ত করে রাখে,
মাতা-পিতার আশির্বাদ ঘিরে
রেখেছে জীবনটাকে।
দেব-দেবতার পরিচয় মোরা
পেলাম অনেক পরে,
মাতা-পিতা বাদ দিয়ে যারা
তাদের ভক্তি করে।
তাদের জীবন হয় না সুখের
জেনে রাখো তাই,
সবার আগে বাবা-মাকে
ভক্তি করা চাই।
ওই বাবা-মা খুশি হয়ে
করলে আশির্বাদ,
এপার ওপার দুই পাড়েতে
সৃষ্টিকর্তার কৃপা হতে
হবে না কভু বাদ।

রচনা : ২ মার্চ, ২০১৬ খ্রিস্টাব্দ!দিঘলকান্দি, মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ।
প্রকাশ : তরুণ প্রভা! জুন, ২০১৬! পৃষ্ঠা ৮৮!

১৪★ বই//সুব্রত মণ্ডল সৃজন

বই
সুব্রত মণ্ডল সৃজন

"বই হীন যেই সংসার,
শূন্য শূন্য লাগে আমার!
তাইতো বই ভালোবাসি।
বইয়েরও জীবন আছে,
ভালোবেসে নিলে কাছে
রাখবে সদা হাসি-খুশি!!"

৪-৯-১৯ দিঘলকান্দি।

১৩★ লেখকের ধর্ম//সুব্রত মণ্ডল সৃজন

লেখকের ধর্ম
সুব্রত মণ্ডল সৃজন

"আগুনের ধর্ম যেমন
পোড়ানো এবং আলো দেয়া।
তেমনি,
লেখকের ধর্মও হওয়া উচিত
যেকোনো পরিস্থিতিতে
সুচিন্তা করা এবং লেখা।
যা দ্বারা আঁধার জগৎ আলোকিত হয়।"

১০-০৭-২০১৯/দিঘলকান্দি।
কৃতজ্ঞতা :  ফরিদপুর লেখক পরিষদ (রাজ্জাক রাজা)র প্রতি।

১২★ অন্তর জ্বলে যায়//সুব্রত মণ্ডল সৃজন

অন্তর জ্বলে যায়
সুব্রত মণ্ডল সৃজন

যখন তোমার আপন ছিলাম
করতে অভিমান,
এখন আমার এই বিরহের
নাই রে সমাধান।

তুমি এখন পরের ঘরে
আপন এখন সেই,
যেখানেতে থাকতাম আমি
সেথায় এখন নেই।

এখন আমি ঘুরে বেড়াই
ঠিকানা বিহীন,
খবর তো আর নেও না তুমি
কেমনে যায় দিন?

সুখে তুমি থাকো পাঁখি
তোমার ঠিকানায়,
জানবে না কেউ বুঝবে না কেউ
অন্তর জ্বলে যায়!

--রচনা : ২০-০৯-২০১৮ / বৃহস্পতি বার।
রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম, ফরিদপুর।

Monday, September 16, 2019

১১ ★ "ভ্রাতৃ-বরণ কথামালা" সুব্রত মণ্ডল সৃজন

রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম, ফরিদপুর
নবীন ছাত্রদের আগমন উপলক্ষে
আয়োজিত ভ্রাতৃ-বরুণ অনুষ্ঠানে
ছোট ভাইদের প্রতি --
"ভ্রাতৃ-বরণ কথামালা"
সুব্রত মণ্ডল সৃজন

জয় মা
জয় রামকৃষ্ণ জয় মা সারদা জয় স্বামী বিবেকানন্দ।
আজকের এই নবীনবরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত সভাপতিসহ অতিথিবৃন্দ, মহারাজ বৃন্দ দাদা এবং ফুলের কলি স্বরূপ ছোট ভাইয়েরা সবাইকে জানাই শ্রেণিভেদে আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম ও আন্তরিক ভালোবাসা। আর এই শরতের আকাশের রংধনুসহ বৈচিত্রময় মেঘের ভেলার সাথে প্রাণের ভালোবাসা সংমিশ্রণ করে তোমাদেরকে প্রথমে বরণ তথা হৃদয়ে ধারণ করে নেই।

এবার শুরু করছি---
শুরুতেই আমি আজকের দিনটি নিয়ে সামনে উপবিষ্ট নবীন ভাইদের উদ্দেশ্যে একটি তথ্য তুলে ধরতে চাই,
তা হল , আজ 17 ই সেপ্টেম্বর । আজ এই তিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন। বিশেষ করে আমরা যারা শিক্ষার্থী তাদের জন্য কারণ আজ হচ্ছে "মহান শিক্ষা দিবস" । আর তোমরা সবাই এই শিক্ষার উদ্দেশ্যে তোমাদের প্রিয়জন বাবা-মা-ভাই-বোন সবাইকে একপ্রকার দূরে রেখে তোমাদের সৌভাগ্য বলে রামকৃষ্ণ মা সারদা স্বামীজীর কৃপা বলে আজ তোমাদের পদার্পণ ঘটেছে এমন একটি ছাত্রাবাসে যার নাম "বিবেকানন্দ ছাত্রাবাস", রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম।

তোমরা অনেকেই বিভিন্ন উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষা লাভের উদ্দেশ্যে ভর্তি হয়েছো।

তাই তোমাদেরকে আমি উপদেশ নয় ভাই হিসেবে অনুরোধ করবো তোমরা স্বামী বিবেকানন্দের রামকৃষ্ণের মা সারদা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করবে তাতে তোমাদের ভবিষ্যৎ জীবন গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে বলে আমি মনে করি।

আর একটা কথা সব সময় মনে রাখবে তা হল স্বামীজি বলেছিলেন যে
"বাবার চেয়ে যদি কেউ বাসে বেশি ভালো
জেনো তাকে ধোঁকা।
মায়ের চেয়ে যদি কাউকে লাগে বেশি আপন
তাহলে তুমি বোকা।"

অর্থাৎ এই বাণী থেকে আমরা বুঝতে পারি যে পৃথিবীতে সবার আগে বাবা এবং মা কে ভালবাসতে হবে এবং তাদেরকে সাক্ষাৎ দেবতা মনে করতে হবে।
তারপর ক্রমে ক্রমে সবাইকে ভালবাসতে হবে মনে রাখবে মানুষকে ভালোবাসায় ধর্ম মানুষকে ঘৃণা করা পাপ। তাই ভালবাসতে হবে সবাইকেই কথা হল আগে গাছের গোড়া যেন ঠিক থাকে।

আর একটি কথা না বললেই নয় তা হল তোমরা ইতোপূর্বে সবাই জেনেছ যে রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম প্রতিদিন নিয়মিত পড়ালেখা ও সকাল সন্ধ্যা প্রার্থনা করতে হয়। তাই বই পড়া ও প্রার্থনা করার জন্য কাউকে অনুসরণ না করে নিজের কর্ম নিজেই সময় মতো সেরে নিবে। তাহলে দেখবে যে অন্যেরা তোমাকে অনুসরণ করবে । আর তোমরা প্রত্যেকেই অনুসরণ করবে মহামানবদের মহাবাণী । দেখবে তোমাদের জীবন আরো উন্নত হবে।

আর আমাদের মিশনে যেসব মহারাজ বৃন্দ আছেন তারা প্রত্যেকেই বন্ধুভাবাপন্ন তোমাদের সমস্যার কথা গুলো মহারাজ দের কাছে বললে দেখবে মহারাজরাই সেই সমস্যার সমাধানের একটা ভালো পথ বের করে দিয়েছেন। কারণ একটা কথা সবসময় জানবে যে এই মহারাজরাও তাদের বাবা-মা ভাই-বোন আত্মীয় পরিজন সকল বন্ধন ছিন্ন করে এসেছে শুধু ছাত্রদের ও মানুষের কল্যাণে তথা জগতের কল্যাণে নিয়োজিত থাকার জন্য।

তাই সর্বশেষ বলবো মহারাজদের সাথে কখনো এমন আচরণ করো না যাতে কেউ কষ্ট পায়। সবার সাথে ভালো আচরণ করবে বাবা-মা কে ভক্তি করবে মহারাজ দের সাথে ভালো ব্যবহার করবে আর তোমাদের জন্য বড় দাদাদের মনে সব সময় ভালোবাসার একটা জায়গা আছে যে জায়গাটা শুধুমাত্র তোমাদের জন্যই। তোমরা চাইলেই সেই ভালোবাসার জায়গাটা আদায় করে নিতে পারো।

তাই বলি এবার সবাই ওঠো জাগো আর ঘুমিয়ে থেকো না ।তোমরা যদি না জাগো তাহলেতো আঁধার কেটে আলোয় জগত আলোকিত হতে পারবেনা। জগত তোমাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে একবার তুমি জগতের পানে তাকাও, দেখো সারাটা জগত তোমার পানে কেমন করে তাকিয়ে আছে ! শুধু তোমরা মানুষের মতো মানুষ হবে বলে। আঁধারে আলো জ্বালাবে বলে!

তাই আজকের এই মহান শিক্ষা দিবস তোমাদের জন্য ঠাকুরমা স্বামীজীর কাছে এই প্রার্থনা করছি , "তোমরা যাতে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারো আধারের বুকে আলো জ্বালাতে পারো প্রত্যেকেই যেন মানুষের মতো মানুষ হতে পারো।" আর তোমরাও ঠাকুরের কাছে সকলের জন্য প্রার্থনা করবে।
ধন্যবাদ সবাইকে
জয় মাতা জয় পিতা
জয় রামকৃষ্ণ জয় মা সারদা জয় স্বামী বিবেকানন্দ
জয় মহারাজ জয়
তোমাদের আমাদের সকলের হউক জয়।

বিশেষ দ্রষ্টব্য : এই লেখাটা লেখার পিছনে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে প্রাণের ভালোবাসার ভাই সমীর বসু।
তার প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

রচনা : 17 সেপ্টেম্বর 2019 , রাত 1 টা 30 এ এম
স্থান: মণ্ডল বাড়ি, দিঘলকান্দি, কানুড়িয়া, দিগনগর মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ।

Friday, September 6, 2019

১০★ তুমি এসেছিলে

তুমি এসেছিলে
সোহেল মোল্যা

জরাজীর্ণ, পরাধীন দেশে হয়েছিলো তোমার জন্ম,
তাতে তোমার কলম থামেনি কখনো।
বীরের মতো করেছো প্রতিবাদ
অন্যায় কে রুখে দিয়েছো বার,বার ।
ব্রিটিশদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে,
তোমার কলম চলেছে ঝড়ের গতিতে।
তাই তো বার, বার যেতে হয়েছে কারাগারে।
তবুও ভেঙে পরোনি কখনো! নিজে, নিজে।
আঘাত পেয়েছো! মাথা নত করোনি কখনো শত্রুদের দাবানলে।
প্রবল গতিতে ছুটেছো তুমি যা পেয়েছো  করেছো  চুরমার।
তরুণ প্রজন্মকে জাগ্রত করেছো সব সময়,
সবাইকে জুগিয়েছো শক্তি ভালোবাসার বিনিময়।
তোমার বাঁশির সুরে মুগ্ধ করেছো  সারা বিশ্বকে।
ভালোবাসার বিনিময়ে সবাইকে জড়িয়ে রেখেছো তোমার বুকে,
যুগে, যুগে নজরুল একজন - ই- আসে।
তোমার শূণ্যতা পূরণ হবেনা কখনো বাংলার বুকে
তুমি সেরা কবি,  তুমিই সেই নজরুল।

ভিডিও লিংক--ক্লিক করুন--
https://youtu.be/ql3JHP6CUog

০৯★ ছড়িয়ে দাও আলো

ছড়িয়ে দাও আলো
সুব্রত মণ্ডল সৃজন

আঁধার! আঁধার!! আঁধার!!!
চারদিকে এখন শুধুই আঁধার!
এ অাঁধারে ভালো কিছু দেখা
বড়ই দুঃস্কর!
তাই প্রয়োজন 'আলো'
এখন আমার একটাই শুধু চাওয়া,
এই আঁধারের বুকে--
আলো, আলো, শুধু আলো চাই।
আমি এমন আলো চাই, যাতে
এ তমসা কাটিয়ে সবাই
এক আলোয় আলোকিত হই।

কিন্তু কথা হলো--
কোথায় পাবো এ আলো?

হ্যাঁ, এ আলোর সন্ধান আছে,
আছে আমার কাছে।
আমাদের মাঝে যে তারুণ্য আছে
আছে সুপ্ত অবস্থায়,
এ তারুণ্যই হলো
তমসা কাটিয়ে ওঠার আলো।
এই তারুণ্য রূপ আলোই পারে,
আঁধারকে দূরীভূত করে
নতুন সূর্য করতে উদয়।

তাই আমি একযোগে সকল
তরুণ হৃদয়ে লুকিয়ে থাকা
সুপ্ত আলো জ্বালিয়ে দিতে
আহ্বান জানাচ্ছি--
'হে তরুণ হৃদয়! একমাত্র তোমরাই পারো
এ অন্ধকারকে দূরীভূত করে
আলোকিত করবার।
এখনই সময় এসেছে তোমাদের
তারুণ্যের আলো জ্বালাবার।
তাই, "ছড়িয়ে দাও আলো"
ছড়িয়ে দাও তারুণ্যের আলো...
সেই আলোতে স্নান করে আমরা
হবো আলোকিত।