Friday, November 27, 2020

কর্তব্য

সংগঠন ( Organization) একটি সামাজিক প্রক্রিয়া।
এতে একদল মানুষ একটি সংগঠন কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে তৎপর থাকেন। একটি সংগঠণকে পরিচালিত করার জন্য কাউকে কিছু না কিছু দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয় অর্থাৎ নির্দিষ্ট কিছু পদ থাকে। এই সব পদে থাকা ব্যক্তিদের দায়িত্ব নিম্নরূপ :

১) সভাপতি : সভাপতি সংগঠনের প্রধান। তিনি পদাধিকারবলে সকল সভায় সভাপতিত্ব করেন। সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে তিনি ভোটদানের অধিকারি নন। তবে অচলাবস্থা নিরসনের জন্য তিনি কাস্টিং ভোট দিতে পারেন। সংগঠনের গঠনতন্ত্রের প্রতিটি ধারার যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা তার দায়িত্ব।

২) সহ-সভাপতি : সহ-সভাপতি সভাপতির সকল কাজে সহায়তা করেন। সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতি সভাপতির দায়িত্ব ও ক্ষমতার অধিকারি হন। এ ছাড়াও তিনি তার উপর অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করেন।

৩) সাধারন সম্পাদক : সাধারন সম্পাদক সংগঠনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি সভাপতির পরামর্শক্রমে সংগঠনের সভা আহ্বান করেন। তিনি প্রয়োজনবোধে অন্যান্য কর্মকর্তার ওপর বিভিন্ন দায়িত্ব অর্পন করেন এবং তাদের কাজের মধ্যে সংযোগ ও সমন্বয় সাধন করেন। সংগঠনের দৈনন্দিন কার্যকলাপের জন্যে দায়ি থাকেন। প্রতিটি সভায় তিনি সংগঠনের কার্যাবলীর রিপোর্ট পেশ করেন।

৪) সহ-সাধারন সম্পাদক : তিনি সাধারন সম্পাদকের সকল কাজে সহায়তা করেন। সাধারন সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তিনি সাধারন সম্পাদকের সকল দায়িত্ব ও ক্ষমতার অধিকারি হন। এছাড়াও তার উপর অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করেন।

৫) সাংগঠনিক সম্পাদক : প্রতিষ্ঠানকে সাংগঠনিক ভাবে সুদৃঢ় করতে সচেষ্ট থাকেন। সাংগঠনিক সম্পাদক সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য সর্বদা নিয়োজিত থাকবেন। সংগঠনের শৃঙ্খলা এবং ব্যাপ্তি ঘটানোর জন্য নিবেদিত প্রাণ হিসেবে কাজ করাই তার প্রধান। সংগঠনের সভাপতির সঙ্গে আলোচনাক্রমে তিনি সংগঠনের সকল সভা আহ্বান করবেন এবং সভার কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ করার ব্যাবস্থা গ্রহণ করবেন । সংগঠনের স্বার্থ সংরক্ষণের দায়িত্ব ও প্রশাসনিক কার্যভার তার উপর ন্যস্ত থাকবে এবং কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত অন্যান্য দায়িত্বও তাকে পালন করতে হবে । সংগঠনের নথিপত্র ও সম্পদ তাঁর তত্ত্বাবধানে থাকবে এবং এ ব্যাপারে তিনি একটি রেজিস্টার খাতা রাখবেন । সভাপতির সাক্ষর থাকবে । তিনি বছরের কার্যবিবরণী প্রস্তুত করবেন এবং তা কার্যকরী পরিষদেও অনুমোদনক্রমে, তা বার্ষিক সাধারণ সভায় পেশ করবেন ।

৬) সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: সাংগঠনিক সম্পাদকের সকল কাজে সহায়তা করেন। সাংগঠনিক সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তিনি সাংগঠনিক সম্পাদকের সকল দায়িত্ব ও ক্ষমতার অধিকারি হন। এছাড়াও তার উপর অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করেন।

৭) প্রচার সম্পাদক: পদের নামেই বোঝা যাচ্ছে তার কাজ কি হবে। মূলত প্রচার করাই প্রচার সম্পাদকের কাজ। তিনি যে সংগঠন বা প্রতিষ্ঠার প্রচার সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হবেন সেই সংযুক্ত প্রতিষ্ঠান, সংঘ বা দলের যেকোনো কার্যক্রম সম্পর্কিত খবরাখবর অন্যান্য কর্মকর্তা এবং প্রয়োজনে সাধারণ মানুষের নিকট পৌছে দেয়ার জন্য তিনি মুখপাত্রের ভূমিকা পালন করেন। প্রচার কাজের জন্য তার আওতাধীন অন্যান্য কর্মীরা থাকলে তাদেরকে পরিচালিত করাও তার কাজ। প্রচার কাজের জন্য সংযুক্ত চিঠি, নোটিশ, পোস্টার, ব্যানারসহ অন্যান্য ডকুমেন্ট তার দ্বায়িতে থাকবে।

৮) কোষাধ্যক্ষ : সংগঠনের যাবতীয় অর্থ তার মারফত ব্যাংকে জমা থাকে। তিনি প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের হিসাব রক্ষা ও প্রদান করেন। বিভিন্ন বিভাগের আয়-ব্যয়ের সমন্বয় করেন।

৯) দপ্তর সম্পাদক : সংগঠনের যাবতীয় জিনিসপত্র দেখাশোনা ও সংরক্ষণ করেন। --এ ছাড়াও সংগঠনে অর্থ সংক্রান্ত, গবেষণা, তথ্য, , প্রকাশণা ইত্যাদি বিভাগে সম্পাদক থাকতে পারেন।

১০) সদস্যমণ্ডলী : সংগঠনের কার্যকরী কমিটিতে একাধিক সদস্য থাকেন। তারা কার্যকরী কমিটি প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করেন। একজন সদস্য তার কাজের জন্য কার্যকরী পরিষদের কাছে দায়ি থাকেন।

Thursday, November 26, 2020

একটি_ছেলের_একাদশী_ব্রত_পালন

একটি_ছেলের_একাদশী_ব্রত_পালন

ওঁ তৎ সৎ
আজ বলবো, এক ছেলের জীবনের প্রথম একাদশীর উপবাস থাকার কথা।
ছেলেটার এতগুলো বছর কেটে গেলো কোনোদিন এই উপবাস করে নি। কতজন যে তাকে বলেছে, দেখো, তুমি তো মনে হয় আধ্যাত্মিক জগতের মানুষ, কারণ, তোমার কথাবার্তার ধরণও আধ্যাত্মিকের মতই। তোমার অনেককিছুই ভালো লাগে কিন্তু একটা জিনিস ভালো লাগে না। এই যে একাদশীর উপবাস থাকো না। কোন ব্রত রাখো না। আবার কথাও বলো পাকা পাকা...!
ছেলেটা এতদিন এসব কথার পেছনে যে কত যুক্তি দিয়েছে। সেগুলো তারা শুনে আরো কোনো কথা বলার সুযোগ পায়নি।
ছেলেটাকে অনেকের মধ্যে বিশেষ করে যারা একাদশীর ব্রত থাকা নিয়ে কথা বলতেন, তাকে ব্রত পালন করার জন্য বিভিন্ন কথা বলতেন এমনকি এখনো বলেন তারা হলেন, শ্রী সুজিৎ কুমার  দত্ত, শ্রী দিপংকর হাওলাদার, শ্রী বলাই কুমার পাল, শ্রী বৈকুণ্ঠ সরকার, শ্রী দিপক বৈরাগী প্রমুখ।

কিন্তু ছেলেটা এবার করলো কী? মনে মনে স্থির করলো যে, একটা ব্রত অন্ততপক্ষে পালন করার চেষ্টা করি, দেখা যাক কী হয়? কেমন লাগে? পরবর্তী ব্রত থাকার কথা না হয় পরে দেখা যাবে। তাই সে গত কাল (২৬ নভেম্বর, ২০২০) যে একাদশীর ব্রত, সেটা পালন করার জন্য যথাযথ চেষ্টা করে। যদিও নিয়ম-কানুন তেমন কিছুই জানে না ছেলেটি, তবুও ঠাকুরের শ্রীচরণে দেহ মন অর্পণ করে শুরু করে ব্রত। অনেকে বলে থাকেন যে, যদি কেউ নির্জলা ব্রত থাকতে না পারে তাহলে সে কিছু ফল-জল সেবা তা করতে পারে। এতে দোষের কিছুই নেই, মূল কথা হচ্চে তার সংযম বা লক্ষ্য ঠিক আছে কি না!

তাই সে দুপুরে দুটো কলা, রাতে দুটো কলা ও অর্ধেকটি কমলা সেবা করে এবং ঠাকুরের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে... সাথে সকাল, সন্ধ্যায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মুখনিঃসৃত বাণী শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা অধ্যয়ন করে। পরদিন সকালে নিজে হাতে খিচুরি রান্না করে ঠাকুরকে নিবেদন করে নিজে প্রসাদ গ্রহণ করে।

এখন, সেই ছেলেটি এই একাদশীর ব্রত রাখার চেষ্টার মাধ্যমে যে বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছে তা হলো— এই একাদশী ব্রত শুধু একক দৃষ্টিকোণ থেকে নয় বরং এমন ব্রত প্রতিটি মানুষেরই করা কর্তব্য। কেননা, এতে শারীরিক যেমন উপকার আছে তেমনি আছে মানসিক উপকার। এতে মনের তথা শরীরের অনেক ব্যাধিও দূরীভূত হয়ে যায়। সেইসাথে পরমানন্দ তো আছেই...! আর যদি কেউ যথাযথ নিয়মে এই ব্রত পালন করতে পারে সেক্ষেত্র তো সে যথাযথই ফল লাভ করবে এতে কোনো সন্দেহ নেই বলে শ্রীভগবানের প্রতি ছেলেটির এই বিশ্বাস জন্মেছে।

তবে, কথাও আমাদের স্মরণ রাখতে হবে যে, শুধু না খেয়ে কিংবা অনাহারে থাকার নামই কিন্তু ব্রত পালন নয়, ব্রত পালনের মূল কথা নিজেকে যথাযথ সংযত রাখা। ঠাকুরের শ্রীচরণে সদা নিজেকে অর্পণ করে দেয়া, তাঁর স্মরণ নেয়া। লোভ, হিংসা, অহঙ্কার প্রভৃতি মনোভাব বর্জিত হয়ে তবেই ব্রত পালন করা কর্তব্য।

তাই, আসুন আমরা সবাই যথাযথ ভাবে শ্রীশ্রী একাদশী ব্রত পালন করি, সুস্থ সুন্দর জীবন গড়ি, পরমানন্দ লাভ করি।
হে ভগবান! তুমি সকলের মঙ্গল করো প্রভু!
                            || জয় মা ||


#কলমে : সুব্রত মণ্ডল সৃজন
#প্রকাশনায় : তরুণ ধর্মের আলো

Wednesday, November 11, 2020

সংগঠন পরিচিতি ও সদস্য ফরম

ওঁ তৎ সৎ
"এসো, আঁধারে জ্বালাই আলো"
"তরুণ ধর্মের আলো" সংগঠন সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন এখানে>> https://add.lat/GuUMA  (PDF)

"তরুণ ধর্মের আলো" সংগঠনের নিবন্ধিত সদস্য হতে ক্লিক করুন এখানে>> https://bit.ly/33QOzD6 (Form)

Wednesday, November 4, 2020

সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়

"তরুণ ধর্মের আলো" সংগঠন কর্তৃক পরিচালিত
'সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়' উদ্বোধন সম্পর্কিত প্রাথমিক তথ্যসমূহ :

===============================

* 'তরুণ ধর্মের আলো' সম্পর্কে জেনে নিন।

* 'সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়' উদ্বোধন সামগ্রী (গ্রন্থাদি, খাতা, কলম, ব্যানার ইত্যাদি) 'তরুণ ধর্মের আলো' কর্তৃক প্রদান করা হবে।

* 'সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়' পরিচালনা কমিটির সদস্যদের 'তরুণ ধর্মের আলো'র নিবন্ধিত সদস্য হতে হবে।

* 'সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়ে'র সদস্যদের  একটা তালিকা 'তরুণ ধর্মের আলো'র কাছে প্রদান করতে হবে।

* সদস্যদেরকে একটি করে 'সদস্য ফরম' পূরণ করতে হবে।

* 'তরুণ ধর্মের আলো' কর্তৃক সবাইকে একটা করে পরিচয়পত্র প্রদান করা হবে।

* 'সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়ে'র সদস্যদের কাছ থেকে সাপ্তাহিক/মাসিক প্রণামি উত্তোলন করবেন—পরিচালনা কমিটি। সেই প্রণামী পরিচালনা কমিটিতেই রাখা হবে এবং সেখান থেকে প্রতি মাসে 'তরুণ ধর্মের আলো' সংগঠনে একটা অংশ (.....%) প্রণামি হিসেবে প্রদান করবেন, প্রয়োজনে সংগঠনের যেকোনো কল্যাণে ব্যয় করা হবে।

* 'সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়' পরিচালনা সম্পর্কিত তথ্য পরবর্তীতে (দ্রুত) জানিয়ে দেয়া হবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য :
* 'সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়' থেকে যেকোনো সিদ্ধান্ত 'তরুণ ধর্মের আলো'র সাথে পরামর্শ করে গ্রহণ করবে।
* বিশেষ কারণে নীতিমালা সংশোধন হতে পারে।

ধন্যবাদান্তে ও শুভ কামনায় : #তরুণ_ধর্মের_আলো

Thursday, October 22, 2020

সদস্য ফরম

https://bit.ly/33QOzD6

তরুণ ধর্মের আলো’ সংগঠনের সদস্য ফরম

Saturday, October 10, 2020

অন্যরকম চিন্তা-চেতনা🕊

অন্যরকম চিন্তা-চেতনা🕊
আর জে জয় সৃজন

প্রকৃত বিবেক-বুদ্ধি, শক্তি, শ্রুতি, স্মৃতি-ই সৃষ্টির মাধ্যম৷
বাস্তবতাই জীবন, মানবতাই পরম ধর্ম। সৃজনশীলতা মানেই নতুন কিছু সৃষ্টি করা।
আমার উপলব্ধি চিন্তা-ধারার কথাগুলো— মানে, কোন বস্তু ও মানুষ বা কোন জীব সম্পর্কে সঠিক ও ভালো করে না জেনে না, না বুঝে তর্ক করা, কথা বলা ও সন্দেহ করা উচিত নয়। 

ভালো করে জানা ও বুঝার মাধ্যম হচ্ছে— উপলব্ধি, বিবেক এবং মন এই হলো আমাদের ত্রিনয়ন৷ এই ত্রিনয়ন সম্পর্কে সকলে বোঝার চেষ্টা করে না। এর কী ক্ষমতা তাও জানে না, জীবের জন্য এই ত্রিনয়ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

অনেকেই বলে থাকে, দুই চোখ থাকতেও সে অন্ধ৷ এর ব্যাখ্যা অনেক বড়, অনেক কথা৷ তাই যার ত্রিনয়নের আলোর জ্ঞান আছে সে কখনোই অন্ধ নয়  দুইচক্ষু না থাকলেও৷ এই ত্রিনয়নের গুরুত্ব ও মূল্য অপরসীম। এর কারণ ত্রিনয়ন দিয়ে প্রকৃত সত্য উপলব্ধি করা ও  ভাল মন্দ চেনা যায়, দেখা যায়, পাওয়া যায়, ভালো কিছু করা যায়। এই ত্রিনয়ন ছাড়া মানুষ সঠিক পথে চলতে পারে না৷ 

একটু ভাবুন, আমরা মানব জাতি, অনেকেই দু-নয়ন থাকতেও অন্ধ। বিবেক, মন, জ্ঞান থাকতেও প্রকৃত বিবেক মন নেই ও দিন দিন মনুষ্যত্ব, ন্যায়-নীতি, বিশ্বাস, ভালোবাসা, ভক্তি, সঠিক পথ, প্রকৃত জ্ঞান হারিয়ে যাচ্ছে অতি সকালে, তা হলে কিসের আমরা সৃষ্টির সেরা ? সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ নামের মানব জাতি?

আমাদের এই মানব দেহে বিশেষ অঙ্গ, আমাদের এই দুই চোখের ভূমিকা অনেক। তাই এই অঙ্গের দ্বারা অনেক ভালো ভালো, সৎ, সঠিক কিছু করা যাচ্ছে ও যায়৷ তা হলে কেন নেতিবাচক চিন্তা করি ও করতেছি আমরা মানব জাতি?

 যেমন—চোখ থাকতেও অন্ধ। এর চেয়ে আর দুঃখ জনক কি হতে পারে একটি মানুষের জন্য? কারন যেমন দু-নয়ন থাকতেও অন্যায়, অপরাধ, দিন-রাত অসৎ ও অনৈতিক কাজ করা, অসৎ পথে চলা,
চুরি, ডকাতি, ছিন্তাই, অতি লোভ-লালসা, ধর্ষণ, রক্তপাত, পশু-পাখি, জীবকে অন্যায়ভাবে হত্যা৷ সত্যকে মিথ্যা বানিয়ে বলা, অবিশ্বাস করা, ঘুস খাওয়া, অন্যের টাকা-পয়সা, জায়গা-জমি, বাড়ি-গাড়ি আত্বসাৎ করা ইতাদি খারপ দিক চোখ থাকতেও আমরা করে থাকি! ছি!
তাই চোখ থাকতেও অন্ধ। চোখের মর্ম বুঝতেছিনা আমরা৷ এই চোখের সাহায্যে আমরা অসৎ কাজ করতেছি! ছি!




 তাই সময় থাকতে ত্রিনয়নের দ্বারা ভালো কিছু করি, ভালো কিছু ভাবি এবং দুই নয়নের মাধ্যমে সৎ পথে চলি, সৎ কর্মকাণ্ড করি, সঠিক চিন্তা-ধারার ভালো  কাজ, আলো, জ্ঞান, ধ্যান, বুদ্ধি, বিবেক জাগ্রত করি আমরা মানব জাতি। এবং তরুণ তথা মানব সমাজে মানবতা, ন্যায়-নীতি, নৈতিক শিক্ষাবোধ গড়ে তুলি। তবে তার আগে এই সব আপন বিবেকে ধারণ করি৷ নিজেকে আগে সৎ ও সঠিক করে ভালো ভাবে গড়ে তুলি বাস্তব জীবনে। এই সমাজে ভালোবাসার জগৎ সংসারে🌏।

কারণ, মানুষের, জীবের, সমাজের, দেশের, বর্তমান অবস্থা ও পরিস্থিতি খুব খারাপের পথে! তবে সামনের দিনগুলোতে আরো করুণ অবস্থা ধারণ করতে পারে। বর্তমান যে পরিস্থিতি এগুলোকে উপলব্ধি করে ও দেখে বলতেছি এই কথাগুলো। 

তাই বিশেষ করে মা, বাবা, পরিবার ও তরুণ সমাজকে বলতে চাই একটি কথা, আপনারা এই কথাটি চিন্তা করবেন—কেন হচ্ছে এমনটা? কী জন্য হচ্ছে এই অনৈতি কর্মকাণ্ড? কাদের জন্য হচ্ছে এই সব? এসবের দ্বায় কারা? কাদের অবহেলায় এই সব হচ্ছে? আর আমাদের কী করা উচিত? 

একটি সন্তানকে জন্ম দিলেই হবে? তাদের মানুষের মত মানুষ করতে হবে, সুন্দর করে গড়ে তুলতে হবে, সৎ পথ দেখাতে হবে তাদের নিয়ে ভাবতে হবে।

 টাকা-পয়সা, জায়গা-জমির লোভ করে কী হবে? এসব কি সাথে যাবে, নাকি একটি প্রকৃত সৎ সন্তান  রেখে যাওয়া উচিত চলে যাবার আগে এই জগৎ সংসারে? অবশ্যই তাই...

একটি প্রশ্ন, বাবা-মা হিসেবে আমাদের দায়িত্ব কতটুকু একটি সন্তানের প্রতি?
আমি নিজ থেকে যতটুকু বুঝি যে, সবার আগে মাতা পিতার দায়িত্ব, ভূমিকা ও কর্তব্যের গুরুত্ব অনেক বেশি, একটি সন্তানকে সুন্দর, সৎ ও আদর্শবান সন্তান গড়ে তোলার জন্য এই সমাজের মাঝে৷

তবে মা-ই সৎ ও সঠিক শিক্ষার প্রথম পথপ্রদর্শক একটি সন্তানের জন্য। মাতা শিক্ষাগুরু, পিতা দিক্ষাগুরু, পরমগুরুর কৃপায় এই জগৎ সংসার চেনা যায়৷ আর শিক্ষক জ্ঞান ও আলো দান করেন ছোট থেকে প্রকৃত বড় হওয়ার জন্য। অজানা কিছুকে সুন্দর করে বুঝিয়ে সঠিক পথে চলার মন্ত্র দান করেন।

এভাবে আমরা আমাদের জীবনকে সুন্দর করে সাজিয়ে নিতে পারি... আর আমাদের তারুণ্য প্রকাশ করে আলো জ্বালাতে পারি অন্ধকারেও!

জয় হোক মানবতার, জয় হোক তরুণের,
জয় হোক 'তরুণ ধর্মের আলো'র।

××××××××××××××××××××××××××××××××××
রচনা :
দিন : মাস : সাল :: ঘন্টা : মিনিট।
[১০ : ১০ : ২০২০ :: ১০ : ১০]

Sunday, August 30, 2020

তরুণ ধর্মের আলো'র কমিটি পরিচিতি :

ওঁ তৎ সৎ
তরুণ ধর্মের আলো'র কমিটি পরিচিতি :

উপদেষ্টা মণ্ডলী :
* শ্রী মুকুল বোস
* শ্রী হরিপদ সরকার
* শ্রী বিকাশ চন্দ্র দাস
* শ্রী সন্তোষ কুমার পোদ্দার
* শ্রী শুশিল বিশ্বাস

সভাপতি : সুব্রত মণ্ডল সৃজন 01718231486
সহ-সভাপতি : বৈকুণ্ঠ সরকার 01775834435

সম্পাদক : সুমন ভদ্র 01777106352
সহ-সম্পাদক : অসিত কুমার রায় 01747350273

সাংগঠনিক সম্পাদক :
সদানন্দ বাড়ৈ 01745409458
বিপুল বিশ্বাস 01735769099
সুমন দাস 01765425047

অর্থ সম্পাদক : অনুপম নন্দী 01765240240
সহ-অর্থ সম্পাদক : সমীর বসু 01792343770

তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক : প্রবীণ মল্লিক রথিন 01777565823

দপ্তর সম্পাদক : কার্তিক বর 01784220584

প্রচার সম্পাদক :
বলাই কুমার পাল 96607502817150 (ইরাক)
দয়াল শীল 01728937853
কামনাশীষ কৃশানু 01830677561
অনিক বিশ্বাস 01795944421

— কর্তৃপক্ষ

Saturday, August 8, 2020

৬৬★ ভালোবাসার ধন

       ভালোবাসার ধন
            হৃষিকেশ মজুমদার

গোলক ধাঁধায় আটকে গেছি
তোমার পিছে পিছে,
সারা জীবন খুঁজছি তোমায়
মরছি মিছে মিছে।

তোমার আশায় পথ ভুলে পথ
হয়েছি দিশেহারা, 
মেঘ জমানো বুকের ভিতর
শুকিয়ে কাঠ-খরা!

তোমার আশায় দিন গুনে যাই
রাতের অন্ধকারে,
পথ ভেঙে যাই পায়ের 'পর
বুক ভেঙে যায় ঝরে!

হৃদয়টাকে জ্বালিযে নিয়ে
চলছি আঁধার মিছে,
এবার যেন তোমায় পাবো
আঁধার যাবে ঘুঁচে।

বুকের ভিতর উঠলো যে ঝর
এবার দুলে দুলে,
সত্যি যেন তোমায় পেলাম
সব দুঃখ ভুলে।

যেথায় শুধু তোমার স্মৃতি
আর এ আমার মন,
সুখে থেকো সখা আমার
ভালোবাসার ধন।


Friday, August 7, 2020

৬৫★ ফেসবুক গ্রুপ

ওঁ তৎ সৎ
তরুণ ধর্মের আলো' 
সংগঠনের ফেসবুক গ্রুপেে Join হতে ক্লিক করুন— 
https://bit.ly/3kqJ0kP

৬৪★ সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ

           ওঁ তৎ সৎ
'তরুণ ধর্মের আলো'
             সংগঠনের লক্ষ্য ও  উদ্দেশ্যসমূহ :

১. আধ্যাত্মিক শিক্ষা অর্জন।
২. অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি করা।
৩. মানব ও সমাজ উন্নয়নমূলক কাজ করা।
৪. অাধ্যাত্মিকতার সহিত বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করা।
৫. ধর্মীয় সংস্কৃতি চর্চা ও শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান।
৬. শিক্ষা ও গবেষণার জন্য সম্মান সূচক, পুরস্কার, পদক, অনুদান ও বৃত্তি প্রদান।
৭. ধর্মীয় গ্রন্থাবলী প্রণয়ন, সাময়িকী এবং তথ্যসমৃদ্ধ প্রচারপত্র প্রকাশ করা।
৮. ধর্মীয় ইতিহাস, আদর্শ, সাহিত্য, দর্শন, সংস্কৃতি সংক্রান্ত বিষয়ে গবেষণা পরিচালনা এবং  আলোচনা সভা, কর্মশালা, প্রদর্শনীসহ অনুষ্ঠানাদির আয়োজন।
৯. সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ধর্মীয় মূল্যবোধ, বিশ্বভ্রাতৃত্ববোধ, মানবতাবোধ, সহিষ্ণুতা, সহমর্মিতা প্রতিষ্ঠা।
১০. ধর্ম সংক্রান্ত সমৃদ্ধ লাইব্রেরী গড়ে তোলা।


সকলের কল্যাণ প্রার্থনায় *_* তরুণ ধর্মের আলো

Sunday, August 2, 2020

৬৩★ কমিটির পুনঃর্গঠন ও অন্যান্য

ওঁ তৎ সৎ


গত পাঁচ বছর ধরে 'তরুণ ধর্মের আলো' সাফল্যের সহিত বিভিন্ন কাজ করে আসছে। সংগঠনের কাজ আরো সুষ্ঠু ও সুন্দর ভাবে পরিচালনার জন্য গত ৩১/ ০৭/ ২০২০ তারিখে শুক্রবার অসিত কুমার রায়ের সভাপতিত্বে 'তরুণ ধর্মের আলো'র কমিটির পুনঃর্গঠন করা হয়।
কমিটির পুনঃর্গঠন গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার বিশারবাগ বাহাড়া গ্রামে সুমন ভদ্রের নিজ বাসভবনে সুসম্পন্ন হয়েছে। সেইসাথে আরো অন্যান্য কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়।

সংগঠনের কার্যক্রম যেন আরো সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়, সেজন্য সকল সদস্য, ভক্তের শ্রীচরণে আশির্বাদ প্রার্থনা করছি।

পুনঃর্গঠিত কমিটির সদস্যদের তালিকা নিম্নে দেওয়া হলো—

উপদেষ্টা মণ্ডলী :
* শ্রী মুকুল বোস
* শ্রী হরিপদ সরকার
* শ্রী বিকাশ চন্দ্র দাস
* শ্রী শুশিল বিশ্বাস

সভাপতি : সুব্রত মণ্ডল সৃজন
সহ-সভাপতি : বৈকুণ্ঠ সরকার

সম্পাদক : সুমন ভদ্র
সহ-সম্পাদক : অসিত কুমার রায়

সাংগঠনিক সম্পাদক :
সদানন্দ বাড়ৈ
বিপুল বিশ্বাস
সুমন দাস

অর্থ সম্পাদক : অনুপম নন্দী
সহ-অর্থ সম্পাদক : সমীর বসু

তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক : প্রবীণ মল্লিক রথিন

দপ্তর সম্পাদক : কার্তিক বর

প্রচার সম্পাদক :
বলাই কুমার পাল
দয়াল শীল
কামনাশীষ কৃশানু
অনিক বিশ্বাস


কর্তৃপক্ষ
তরুণ ধর্মের আলো

Sunday, June 21, 2020

৬২★ পৃথিবীর এই রঙ্গমঞ্চে

  • পৃথিবীর এই রঙ্গমঞ্চে
  • পলাশ শিকদার 


সময় বড় অদ্ভুত! নিরন্তর এক মহাপ্রলয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছি মনে হয়। চারিদিক নিস্তব্ধ হয়ে আসছে! শঙ্কার মিছিল দীর্ঘতর হচ্ছে। ক্ষণে ক্ষণে মনটা চূড়ান্ত বিষণ্নতায় ভরে যাচ্ছে। চেনা মানুষগুলোর সাথে ইচ্ছে থাকলেও সাক্ষাৎকরতে পারছিনা। ঘরবন্দি আমরা! প্রাণবন্ত প্রকৃতি!

এই পৃথিবী নামক রঙ্গমঞ্চটা কেমন অদ্ভুত, তাই না! যদি এই রঙ্গমঞ্চটা ভেঙে দেওয়া যেতো, তাহলে কি আরো সংঘর্ষ, ভেদাভেদ তৈরি হত? নাকি সমাজ সুখে পরিপূর্ণ হয়ে উঠত? আমার জানা নেই। এই রঙ্গমঞ্চে কতকিছু হচ্ছে, কেউ অস্ত্র গোলাবারুদ আবার কেউবা ধনসম্পদের অহংকার। আরো ককত কী... দুই দিনের এই পৃথিবীতে কী হচ্ছে এসব !

তাহলে কি পৃথিবী এভাবেই চলবে, পানকৌড়ি নৌকার মতো? একবার ডুববে একবার উঠবে। দেখেছি প্রত্যেকটা দুর্বল পশু সবল পশু দ্বারা শিকার হয়। তেমনি শক্তিশালী দেশের মানুষের দ্বারা দুর্বল দেশের মানুষ শোষিত, নির্যাতিত হচ্ছে! তাহলে কি এভাবেই পৃথিবী যতদিন নিশ্বাস নিবে ততদিন অসহায় মানুষগুলো শোষিত নির্যাতিত হবে?

 আজ পৃথিবীতে এলিট শ্রেণীর কেউ দেহত্যাগ করলে পুরো জাতি সেই কথা জানতে পারছে, অন্যদিকে অসহায় মানুষের বলিদানে সেটা বোধহয় লোকচক্ষুর আড়ালে নিমিষেই চলে যাচ্ছে। কী কৌতুহল এই পৃথিবী তাই না? 

আজ এই মায়াবী পৃথিবীর মানবতা কোথায় গিয়ে ঠেকেছে! তাহলে মানুষ কি তার ধর্ম ধারন করছে? আসলে পৃথিবীর এই রঙ্গমঞ্চে, যার আছে ভুরি ভুরি সেই নিচ্ছে কাঙ্গালের ধন চুরি করে। এই রঙ্গমঞ্চের খেলা বোধহয় কোনো দিনও শেষ হবে না, মানুষ যতদিন এই সুন্দর মায়াবী পৃথিবীর বুকে বেঁচে থাকবে ততদিন এই খেলা বোধ হয় টিকে থাকবে। 

এভাবেই হয়তো যুগ যুগ মানুষের প্রণয়, অহংকার, নির্যাতন উপেক্ষা করে বেঁচে থাকতে হবে। 

কল্যাণ হোক মানুষসহ সকল প্রাণীর, বেঁচে থাকুক পৃথিবী!


রচনা:১৭-০৬-২০২০।

Saturday, June 13, 2020

৬১! 'শিবগীতা' কি ?

  • ওঁ তৎ সৎ
এখান থেকে সংক্ষেপে জেনে নিতে পারেন 'শিবগীতা' সম্পর্কে :
                 'শিবগীতা' কি ?
আমরা সকলেই হয়তো শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা সম্পর্কে
জানি কিন্তু শিবগীতা সম্পর্কে ঠিক ততটা
জানি না । তাই আজকে আমরা শিবগীতা
সম্বন্ধে জানানোর চেষ্টা করবো । 

যে প্রকার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মুখ থেকে শ্রীমদ্ভভগবদ্গীতা প্রকাশিত হয়েছে , অনুরূপ ভাবে ভগবান শিবের মুখারবিন্দ থেকে বের হয়েছে এই "শিবগীতা"।
মহাভারতের ভীষ্ম পর্ব থেকে ভগবদ্গীতা
এসেছে , এবং সেখানে মোট আঠারোটি অধ্যায়
রয়েছে । তাকে কৃষ্ণার্জুন সংবাদ বলে
উল্লিখিত করা হয়েছে । ঠিক তেমনই পদ্মপুরাণে
উল্লিখিত শিবরাঘব সংবাদ শিবগীতা নামে
প্রসিদ্ধ । এখানেও আঠারোটি অধ্যায় রয়েছে ।
এই আঠারোটি অধ্যায় যথাক্রমে - 
১। শিবভক্তি নিরূপণ , 
২। বৈরাগ্য উপদেশ , 
৩। বিরজাদীক্ষা নিরূপণ,
৪। শিব প্রাদুর্ভাব , 
৫। রামকে বর প্রদান ,
৬। বিভূতিযোগ , 
৭। বিশ্বরূপ দর্শন , 
৮। পিণ্ডোৎপত্তি কথন , 
৯। দেহ স্বরূপ নির্ণয় , 
১০। জীব স্বরূপ কথন , 
১১। জীব গতি নিরূপণ ,
১২। উপাসনা জ্ঞান ফল , 
১৩। মোক্ষ নিরূপণ ,
১৪। পঞ্চকোশোপপাদন ,
১৫। ভক্তিযোগ ,
১৬। গীতা অধিকারী নিরূপণ , 
১৭। ব্রহ্ম নিরূপণ যোগ এবং
১৮। জীবন্মুক্তি স্বরূপ নিরূপণ যোগ । 

যেভাবে অর্জুনের প্রশ্নের উত্তরে ভগবদ্গীতা সামনে
এসেছে , সেভাবেই শ্রীরামচন্দ্রের বিভিন্ন
প্রশ্নের উত্তরে প্রকাশিত হয়েছে এই শিবগীতা
। শিবগীতা আধ্যাত্ম বিদ্যার এক অসামান্য
গ্রন্থ যেখানে বেদান্তের সার বস্তু সমাহিত
হয়েছে । বেদান্ত যাকে ব্রহ্ম বলেছেন তাকে
এখানে শিব নামে অভিহিত করা হয়েছে । শিবই
এই সৃষ্টির নির্মাতা , পালন কর্ত্তা এবং সংহার
কর্ত্তা । সম্পূর্ণ সৃষ্টি পরমেশ্বর শিবের শক্তির
রূপ বলা হয়েছে , বেদান্ত তাকে মায়া শক্তি
নামে আখ্যায়িত করেছেন । এই মায়াশক্তিকে
অতিক্রম করে পরব্রহ্ম বিষয়ে জ্ঞাত হওয়াই
মুক্তির একমাত্র উপায় । এই জ্ঞান তথা মুক্তির
জন্যই পরমেশ্বর শিব ব্রহ্ম , শিব থেকে সৃষ্টির
রচনার বর্ণনা , শরীর রচনার বর্ণনা , শিব সাধনা ,
শিবপূজার বিধান , সংসারের অসারতা ,
তত্ত্বজ্ঞান , কর্মফল , বিরজা দীক্ষা , শিবের
বিরাট স্বরূপ , শিবের বিভূতি , জীবের গতি ,
মুক্তির স্বরূপ , ভক্তির বিধি , ধ্যান যোগ
ইত্যাদি অনেক আধ্যাত্মিক রহস্যের উদ্ঘাটন
করা হয়েছে এই শিবগীতায় । এই দৃষ্টিতে শ্রীশ্রী  শিবগীতার মহত্ত্ব সর্বাধিক । জ্ঞান প্রাপ্তির
জিজ্ঞাসুদের জন্য এই শিবগীতা গ্রন্থ অতি
মহত্বপূর্ণ ।

#------#
তরুণ ধর্মের আলো'র সাথে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

ভালো লাগলে শেয়ার করুন— 

Thursday, June 4, 2020

৬০★ ষষ্ঠ বর্ষে 'তরুণ ধর্মের আলো'

ওঁ তৎ সৎ
               ষষ্ঠ বর্ষে 'তরুণ ধর্মের আলো'

আজ, ৫ জুন, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ।
মানসিক প্রশান্তি আর অগ্রযাত্রায় পঞ্চম বর্ষ অতিক্রম করে ষষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ করলো 'তরুণ ধর্মের  আলো'। 
তাই, আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তনের অঙ্গিকার নিয়ে একটি শান্তিময় সমাজ বিনির্মানে সবসময় নির্ভীক ভূমিকা পালন করব এ আমাদের প্রত্যাশা। 
সুন্দর, কল্যাণ ও শুভকর্ম পথে 'এর নিরন্তর অভিযাত্রা অবাধ, নিরপেক্ষ ও গতিশীল হোক।

'তরুণ ধর্মের আলো'র পঞ্চম বর্ষপূর্তি ও ষষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষ্যে 'এর উদ্যোক্তা, কলাকুশলী ও সুধী সদস্যবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ঠ সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

 ভবিষ্যতে 'এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে আমরা অবিচল থাকবো এই প্রার্থনায়--

#অনুপম_নন্দী
#তরুণ_ধর্মের_আলো

★পুনশ্চ : 
আজ
 শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের স্নান যাত্রা 
এবং
বিশ্ব পরিবেশ দিবস-এর শুভেচ্ছা!

Monday, May 25, 2020

৫৯★ রক্ষা করো প্রভু

                     রক্ষা কর প্রভু
                           পলাশ শিকদার

একফালি চাঁদের মাঝে এতখানি বিষাদ!
দেশ ও দশের মাঝে মিলেছে অবসাদ!
ঝড়ের তান্ডব শেষ হবার পরে
দেখা দিলো মনের অন্তরালে।
এ কেমন নিয়তি, এ কেমন তান্ডব!
মেনে নেওয়া যায় কী এমন ধ্বংসযজ্ঞ?

কৃষকের মাঠে ধান, পাট আর সবজির ক্ষতি
ড়ের কারণে মিলেছে মনের অশান্তি।
জৈষ্ঠ্যর মাঝামাঝি হলো এমন নাশ,
দেখেও নাই প্রবীণেরা এমন বিনাশ!

গরীবের বাড়ি-ঘর হয়েছে বিলীন
মাথায় পরেছে হাত, চেহারা মলিন!
এমন প্রলয় দিয়ো না কভু
সর্বসাধারণেরে রক্ষা কর প্রভু।
এই মিনতি করি দু'হাত তুলি
তোমারি সন্তান যে আমরা সকলি...

Friday, May 22, 2020

৫৮★ অসমাপ্ত কাহিনী_দেবব্রত পাল


🍀🍀অসমাপ্ত কাহিনী🍀🍀
                     দেবব্রত পাল

গল্প, উপনাস, প্রবন্ধ এগুলো পড়তে আমার বেশ ভালো লাগে। আমি প্রায়ই গল্পের বই পড়ি। কখনো গোপাল ভাড়, কখনো চাঁদের বুড়ি ম্যাজিক ম্যান, কখন বা Hunter the Ghost, After the Trove, Ghost the house ইত্যাদি।

একদিন আমার খুড় মশায় কোলকাতা থেকে আমাদের বাড়িতে এলেন। দশ-পনের দিন ছিলেন আমাদের বাড়িতে। উনি জানতেন যে আমি বই পড়তে ভালোবাসি। তো উনি কোলকাতা থেকে আসার সময় আমার জন্য রবি ঠাকুরের একটা গল্পের বই নিয়ে  এলেন। তাতে আনেকগুলো গল্প ছিলো। ঐ গল্পগুলোর মধ্যে থেকে আমার একটা গল্প বেশ ভালো লেগেছিল গল্পটির নাম হলো 'গুপ্তধন'।
এই গল্পটি পড়ার পর আমার মাঝে  অন্য রকম পরিবর্তন আসলো।
যাই হোক পরের বার যখন খুড় মশায় আবার এলেন তখন উনার সাথে ঘুড়তে গিয়েছিলাম ওনার মামার বাড়িতে 'শ্রীনগর'।

আমি, খুড় মশায় আর খুড়তুত ভাই সুব্রত। ওর সাথে ছিলো আমার খুব ভাব, নামেও যেমন কাজেও তেমন। সুব্রত আর দেবব্রত। তখন ছিলো আষাঢ়  মাস। শ্রী শয়নৈকাদশীর দিন আমরা যাত্রা শুরু করলাম ট্রেন পথে। বেশ ভালো লাগছিলো। যাত্রা পথে সুব্রত আমায় বলছিলো যে দেবব্রত জানিস, শ্রীনগরে মানে আমার বাবার মামার বাড়ি থেকে দুই কিলোমিটার দূরে একটা জমিদার বাড়ি আছে।ওখানে কেউ যায় না। ওটা নাকি খাড়া বাড়ি নামে কথিত। কথা বলতে বলতে আমাদের ট্রেন শ্রীনগর স্টেশনে এসে থামলো।

খুড় মশায় একটা রিকশা ভাড়া করে। স্টেশন থেকে চার কিলোমিটার পথ খুড় মশায় এর মামার বাড়ি। রিকশা চড়ে যাচ্ছিলাম আমরা তিন জন। চার দিকে পাহাড় আর ঝোপঝাড়ে ঘেরা। কেমন যেনো নির্জন! জন-মানবহীন একটা গ্রাম। লোকজন তেমন নেই।গ্রামটির অবস্থা এমন যে দুই-এক কিলোমিটার পরে একটি কুঁড়েঘর দেখা যায়। যদিও গ্রামটি দেখতে অদ্ভুত তবুও বেশ ভালো লাগছিলো।
যাই হোক অবশেষে ঠাকুর দাদুর বাড়ি এসে উঠলাম।বিকাল হয়ে গেলো, একাদশীতে রাত্রে ওখানে হরি বাসর আয়োজন করা হয়। আমি আর দাদাভাই কিছুক্ষণ ছিলাম তার পরে ঘুমিয়ে পড়লাম।

সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে স্নান  করে পূজা শেষে পারনটা সেরে নিলাম। যতই সময় যাচ্ছে, জমিদার বাড়ি সম্পর্কে আমার কৌতূহল যেনো বেড়েই চলছে।

অবশেষে সময় হলো ওই ঘন মুহূর্তের। দুপুরবেলা খাওয়া শেষ করে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আমি, সুব্রত, আর ভোলা নামে এক ছেলেকে নিয়ে হাঁটতে বের হলাম। হাঁটতে হাঁটতে আমরা জমিদার বাড়ির নিকটে এসে পৌঁছলাম। যদিও বর্ষা কাল কিন্তু তখন বৃষ্টি ছিলো না বরং রোদের ভীষণ তাপ ছিলো। জমিদার বাড়িটি দেখতে ছিলো অসাধারণ। কি সুন্দর  কারুকার্য আর ঝোপঝাড়ে ঘেরা! যদিও জমিদার বাড়িটিকে খাড়া বাড়ি বলা হতো কিন্তু আমাদের তিন জনের চোখে কোনো ভয় ছিলো না। গাছ পালা আর লতাপাতায় ঘেরা থাকার করণে বেশ অন্ধকার ছিলো বাড়িটি। ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না সূর্যদেব অস্তমিত হলো কিনা(?) ভোলার হাতে একটা টর্সলাইট ছিলো ঐ টসলাইটের আলোতে আমরা তিন জন হাঁটতেছিলাম।
জমিদার বাড়ির প্রবেশদ্বারে উত্তর-পূর্ব কোণে একটা মন্দির দেখতে পেলাম। মন্দিরে বিশাল বড় একটি শালগ্রাম শিলার নারায়ণের মুর্তি দেখতে পেলাম।ভোলার কাছে জানতে পারলাম স্বয়ং জমিদার দ্বদিক নারায়ণ নাকি এই শালগ্রাম শিলার পূজা করতেন।

মন্দিরে চারটি স্তম্ভ ছিলো। তার মধ্যে একটি প্রায় নেই বললেই চলে। মন্দিরে পিছনে, জমিদার বাড়ির পূর্ব-দক্ষিণ কোণে একটা পুকুর ছিলো।
হঠাৎ  মন্দিরের পিছন থেকে একটা বিড়ালের মিউ মিউ শব্দ শুনে আমরা তিনজন ভয় পেয়ে যাই! তিন জনের শরীর চমকে উঠলো। হঠাৎ করে আমার কানে যেনো নূপুরের শব্দ ভেসে আসতে লাগলো। শব্দটা আসছিলো ঠিক পুকুর ঘাট থেকে। কিন্তু শব্দটি আমি ছাড়া ওরা শুনতে পাচ্ছিলোনা।
যদিও পূর্ণিমার আলোতে পথ দেখা যাচ্ছিলো তবুও  আমি ভোলার কাছে থেকে টর্স লাইটটা চেয়ে নিলাম।আর ধীরে ধীরে পুকুর ঘাটের দিকে এগিয়ে চললাম।হঠাৎ আমার মাথায় কিশের যেনো আঘাত পেলাম। আমার হাত থেকে টর্সলাইটি পড়ে গেলো। পড়ে যাওয়া লাইটের আলোতে ঘাটে পড়ে থাকা একটি নূপুর দেখতে পেলাম।
আমার মাথা ঘুরাচ্ছে, চোখ বুজে আসছে। যখন চোখ খুলি তখন দেখি আমি ঠাকুর দাদুর বাড়িতে শুয়ে আছি!
মাথা ভীষণ ব্যথা করছে আর গায়ে ভীষণ জ্বর! আস্তে আস্তে আমি সুস্থ হয়ে উঠলাম।
ওরা ভয়ে ঐ জমিদার বাড়ি যাওয়ার কথা কাউকে বললো না। জানি না কী বলে বুঝালো বাড়ির সবাইকে। আমি আর ঐ নূপুর এর কথা ওদেরকে বলিনি। ঐ নূপুরটির কাহিনী আমার কাছে এখনো অসমাপ্তই রয়ে গেলো...

Saturday, May 2, 2020

৫৭★ গীতিকবি সঞ্জয় শীলের জন্মদিনে || তরুণ ধর্মের আলো

গীতিকবি সঞ্জয় শীলের জন্মদিনে ||

         তরুণ ধর্মের আলো


জনপ্রিয় গীতিকবি সঞ্জয় শীলের জন্মদিন আজ (৩ মে) । ১৯৮০ সালের এইদিনে মামা বাড়ি ঢাকার নবাবগঞ্জের আগলা চৌকিঘাটায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পৈতৃক নিবাস মাদারীপুরের শিবচরের শিরুয়াইল গ্রামে।

পিতৃদেব বিমল শীল ও মাতৃদেবী জ্যোৎস্না রানী শীল। চার ভাই বোনের মধ্যে তিনি বড়।
'প্রেম কুঞ্জো, জীবন গাড়ি, মরণ গাড়ি, বিচার , সুখ নাই, এই অভাগী, ভাবের মানুষ, আমি যে একা অ্যালবামসহ আরো অসংখ্য গান রয়েছে তার। 

ইউটিউবে "সঞ্জয় শীল/SANJOY SHIL" লিখে সার্চ দিলেই অসংখ্যা তাঁর গান পাওয়া যায়। অনেক গান হয়তো আপনার শোনাও আছে হয়তো জানা হয়নি গানের গীতিকবি কে?

সঞ্জয় শীলের ছোটবেলা কেটেছে মাদারীপুর জেলার শিবচরের শিরুয়াইলে। তিনি কদমবাড়ির 'মহামানব গণেশ পাগলে এক পরম ভক্ত! সর্বদা তিনি তাঁর চরণ প্রার্থী। পাগলের কাছে আমরাও প্রার্থনা করি...
সঞ্জয় শীলের বাবা একজন বাউল শিল্পী ছিলেন। তাঁর কাছ থেকে সঙ্গীতের অনেক কিছু শিখেছেন।

সংগীতকে ভালোবেসে অবিরাম পথ চলছেন তিনি...
আমরা তাঁকে পেয়ে সত্যিই আনন্দিত! জন্মদিনে দাদার প্রতি জানাই 'তরুণ ধর্মের আলো' সংগঠন থেকে জন্মদিনের 'সঙ্গীত-শুভেচ্ছা'। দাদার জন্য আমরা সর্বদা শুভ কামনা স্রষ্টার কাছে!...
সেই সাথে 'গীতিকবি সঞ্জয় শীলকে এই সংগঠনের সদস্য হিসেবে গ্রহণ করা হলো।' জীবনের বাকিটা পথচলা হোক সুস্থ-সুন্দর!

তিনি, সকলের কাছে আশির্বাদ প্রার্থনা করে সবার জন্য শুভ কামনা করে বলেন যে, সবাই ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন। সতর্কতা অবলম্বন করুন। এই মহামারি থেকে পৃথিবী মুক্ত হয়ে আলোর মুখ দেখুক আবার।'

জয়হো মানবতার, জয় হোক সংগীতের,
             জয় হোক সনাতনের।

সুব্রত মণ্ডল সৃজন
সভাপতি
|| তরুণ ধর্মের আলো ||
|| ০৩ মে, মুজিববর্ষ || দিঘলকান্দি ||

Friday, May 1, 2020

৫৬★ সবার_উদ্দেশ্যে_সতর্কমূলক_কথা || তরুণ ধর্মের আলো

ওঁ তৎ সৎ

             #সবার_উদ্দেশ্যে_সতর্কমূলক_কথা

সুধী ভক্তমণ্ডলী প্রণাম গ্রহণ করুন!
'তরুণ ধর্মের আলো' সংগঠনে সংযুক্ত সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, এই সংগঠন আপনার, আমার, আমাদের তথা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্বজনীন সংগঠন।

[★কোন মত-পথকে ছোট করে দেখা বা বদনাম রটানো,
★কেউ যাতে মনে কষ্ট পায় এমন পোস্ট বা মন্তব্য করা,
★অসৌজন্যমূলক কথা বলা বা আচরণ করা এবং
★কারো মনে কষ্ট দেয়া সংগঠনের উদ্দেশ্য নয়।]

কারো কোনো বিষয়ে জানতে প্রয়োজন হলে, বিনম্র চিত্তে জিজ্ঞাসা করুন এবং অন্যদের জিজ্ঞাসার যথাসম্ভব উত্তর দেবার চেষ্টা করুন।
উত্তর মনমত হলে ভালো (কৃতজ্ঞতা স্বীকার করুন),
না হলে কষ্ট না নিয়ে অন্যত্র জিজ্ঞাসা করতে পারেন (কটাক্ষমূলক পাল্টা প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়)।
সবার জানার মতো কোনো তথ্য, লেখা (যথাসম্ভব তথ্যসূত্রসহ) বা যেকোনো মতামত থাকলে অবশ্যই সুন্দর করে প্রকাশ করতে অনুরোধ করা হলো!...

আমরা চাই, যে যার 'মত-পথ' নিয়েই থাকুন না কেন, সেটাতে বিশ্বাস, ভক্তি থাকা ভালো। তাই বলে অন্য মত-পথের বিরুদ্ধাচরণ করে কারো মনে কষ্ট না দেয়াই উত্তম বলে মনে করি।

[আমাদের উদ্দেশ্য,
★সবাই যাতে মিলেমিশে থাকতে পারি,
★সত্যকে জানা, জীবনে প্রয়োগ ও মানুষের মাঝে প্রকাশ করা।
★কুসংস্কার দূরীকরণে সদা সচেষ্ট থাকা]

[একটা কথা মনে রাখতে হবে, 'ভক্ত হতে যেন বিভক্ত না হই।' আমরা সনাতনী, যেন ভুলে না যাই! যেন স্মরণে থাকে, 'যাহা সত্য তাহা সনাতন!'
জয় হোক সনাতনের, জয় হোক মানবতার।]

"আসুন আমরা মানুষ হবার পথে চলি...! আঁধারে জ্বালাই আলো"।

স্মরণে রাখতে হবে সংগঠনের মূলমন্ত্র, "ভালোবাসাই ধর্ম, ঘৃণা করাই পাপ।" তাই ভালোবাসায় জীবন উৎসর্গ করি, পাপ থেকে দূরে থাকি।

সকলের কল্যাণ প্রার্থনায় —
                         — "তরুণ ধর্মের আলো"

[বি:দ্র: এই সংগঠনের উদ্দশ্য ও কার্যক্রম যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে আপনার সনাতনী বন্ধুকেও সংযুক্ত করুন! নিজে জেনে অন্যদেরও জানান! সকলের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আলোচনা করুন।
★সংগঠন সম্পর্কিত কারো কোনো সমস্যা বা অভিযোগ থাকলে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো][Email : tdadk2015@gmail.com ]

#বাণীতে :
সভাপতির আনুরোধে
সুমন ভদ্র, সম্পাদক, তরুণ ধর্মের আলো

৫৫★ সত্যটা_জানার_প্রায়শ_করি || বলাই কুমার পাল || ইরাক || তরুণ ধর্মের আলো


👏👏ওঁ তৎ সৎ👏👏
#সত্যটা_জানার_প্রায়শ_করি
বলাই কুমার পাল, ইরাক

সনাতন ধর্মের যে সকল কুসংস্কার নিয়ে জর্জরিত তা থেকে আজ একটা বিষয় নিয়ে লিখছি। যেটা অত্যন্ত লজ্জার বিষয়! সনতাতন ধর্মে যে সকল ব্রাহ্মণেরা নিজেদেরকে অনেক বড় মনে করে, হিন্দু জাতির মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি করে রেখেছে...
আসুন, সত্যটা জানার প্রায়শ করি—
🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄
চাতুর্বর্ণ্যং ময়া সৃষ্টং গুণকর্মবিভাগশঃ৷
তস্য কর্তারমপি মাং বিদ্ধ্যকর্তারমব্যয়ম্৷৷১৩/০৪

অর্থ:  প্রকৃতির তিনটি গুণ এবং কর্ম অনুসারে আমি মনুষ্য সমাজে চারটি বর্ণবিভাগ সৃষ্টি করেছি। আমিই এই প্রথার স্রষ্টা হলেও আমাকে অকর্তা এবং অব্যয় বলে জানবে।

যেখানে, ভগবান স্ময়ং বলেছেন, কর্ম অনুযায়ী তার বর্ণের সৃষ্টি হয়, অর্থাৎ, ব্রাহ্মণ ঘরে জন্ম নিলে তার যদি ব্রহ্ম জ্ঞান না থাকে তাহলে সে কদাপি ব্রাহ্মণ হতে পারে না।...

আসুন এবার জাতিভেদ  ও বর্ণ নির্ণয় দেখে নিই—

মহাভারতে শান্তি পর্বে (১৮৮) মহর্ষি ভৃগু বলেছেন,
ইত্যেতৈঃ কর্মভি র্ব্যস্তা দ্বিজা বর্ণান্তরং গতাঃ।

ব্রহ্মার নির্দেশ হচ্ছে,,,
শুদ্ধাত্মা বিজিতেন্দ্রিয়ঃ শূদ্রোহপি দ্বিজবৎ সেব্যঃ
ইতি ব্রহ্মাহব্রবীৎ স্বয়ং।।

অর্থাৎ,, পবিত্র চিত্ত, জিতেন্দ্রিয় শূদ্রকেও দ্বিজের মত সেবা করা উচিৎ—স্বয়ং ব্রহ্মা একথা বলেছে।

চরিত্র দ্বারাই একজনের ব্রাহ্মণত্ব নির্ণয় করতে হবে, বংশ, উপনয়নাদি সংস্কার, খ্যাতি বা জন্মের জন্য কেউ ব্রাহ্মণ  হবে না।

মহাভারতের অনুশাসন পর্বে (১৪৪) বলা হয়েছে,,
বৃত্তে স্থিতস্তুু শূদ্রোহপি ব্রাহ্মণত্বং নিযচ্ছতি।
(সচ্চরিত্রতার জন্য শূদ্রও ব্রাহ্মণত্ব লাভ করে।)

মহাভারতে বনপর্বে  (১৮০) পাই,
শূদ্রে  তু যদ্ভবেল্লক্ষ্যং দ্বিজে তচ্চ ন বিদ্যতে।
ন বৈ শূদ্রো ভবেচ্ছৃদ্রো ব্রাহ্মণো ন চ ব্রাহ্মণঃ।।
অর্থাৎ, ব্রাহ্মণের শম, দম প্রভূতি লক্ষণ শূদ্রে থাকলে সে শূদ্র শূদ্র নয়, ব্রাহ্মণে ব্রাহ্মণত্বের  লক্ষণ না থাকলে সে ব্রাহ্মণ  ব্রাহ্মণ  নয়।

মহাপ্রভূ শ্রীচৈন্যদেব বলেছেন,
চন্ডালোহপি  দ্বিজশ্রেষ্ঠঃ হরিভক্তি পরায়ণঃ।
হরিভক্তি পরায়ণ চন্ডালও দ্বিজ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।।

👏👏👏👏👏হরে কৃষ্ণ👏👏👏👏👏👏👏

‌সকল সনাতনী  ভাই ও বোনদের অনুরোধ করে বলছি, লেখাটা শেয়ার করো, সত্যটা জানাও।।

👏ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।👏

___________====____________
প্রকাশনায় : #তরুণ_ধর্মের_আলো

Thursday, April 30, 2020

৫৪! কাম ও প্রেমের মধ্যে পার্থক্য কী? || বলাই কুমার পাল || ইরাক || তরুণ ধর্মের আলো ||


কাম ও প্রেমের মধ্যে পার্থক্য কী?
                 বলাই কুমার পাল, ইরাক।
🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄

🙏🙏হরে কৃষ্ণ🙏🙏
পরমেশ্বর ভগবানকে ভালোবাসার যে প্রবণতা সেটাই হচ্ছে প্রেম। কিন্ত নিজের ইন্দ্রিয় তৃপ্তি সাধনের যে চেষ্টা সেটাই এই জগতে প্রেম বলে প্রচারিত হচ্ছে, প্রকৃত পক্ষে সেটা প্রেম নয়।

চৈতন্যচরিতামৃত গ্রন্থে এইভাবে ব্যাখ্যা করেছেন.....
আত্মান্দ্রিয়প্রীতি-বাঞ্ছা তারে বলি কাম।
কৃষ্ণইন্দ্রিয়প্রীতি-ইচ্ছা ধরে প্রেম নাম।(শ্রীচৈঃচঃআদি,4/116)

শ্রীকৃষ্ণের ইন্দ্রিয়ের প্রীতি সাধনের যে চেষ্টা সেটাকে বলা হয় প্রেম।

কাম ও প্রেমের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে।

অতএব, কাম-প্রেমে বহুত অন্তর।

কাম—অন্ধতমঃ, প্রেম—নির্মল ভাস্কর।(শ্রীচৈঃচঃআদি৪/১৭১)

কাম আমাদের অন্ধকার গভীরতম জায়গায় নিয়ে যায়। আর প্রেম নির্মল সূর্যের মতো।

কৃষ্ণ-সূর্যসম মায়া হয় অন্ধকার।
যাহা কৃষ্ণ, তাঁহা নাহি মায়ার অধিকার।

🙏🙏🙏🙏🙏🙏হরে কৃষ্ণ🙏🙏🙏🙏🙏🙏

🙏ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।🙏
_________________________________
প্রকাশনায় : তরুণ ধর্মের আলো

Tuesday, April 28, 2020

৫৩★ দিপংকর হালদার-এর কাব্যিক বাণী (১—৬)

 দিপংকর হালদার-এর কাব্যিক বাণী (১—৬)

১★
"জাত কবি না স্বভাব কবি?
মুখে শুধু প্রেম প্রেম
অন্তরে কামনার ছবি!"

২★
"দেহকে শুদ্ধ করে কি লাভ?
মন-আত্মা যদি পরিশুদ্ধ না হয়।
তবে পাগলের দেহ শুদ্ধ না হলেও
আত্মা-মন উভয়েই পরিশুদ্ধ।
তাহলে পাগল ভালো, পাগলই শ্রেয়
গাই পাগলের জয়গান।"

৩★
"একটা নারীর চরিত্র দেখে তুমি 

সকল নারীর চরিত্র বিচার করো না,

এমন অনেক নারীর চরিত্র বিচার করতে গেলে 

তুমি নিজেই চরিত্রহীন হয়ে যাবে।"

৪★
"এক অঙ্গে তোমার কতো রঙ্গো...
করিয়া তুমি প্রণয় ভঙ্গ।
করছো অন্যের  সঙ্গ,
না রাখতে পারলে কথা দিয়ে তা
ভঙ্গ করলে ক্যান?"

৫★
"ভালোবাসি বলে ভালো লাগে,
ভালোবাসাটা ভালো লাগা নয়।
খামকা উল্টাপাল্টা কথা কইয়া
দিওনা শয়তানের পরিচয়।"

৬★
"কি নিতে এসে কি দিয়ে গেলাম
এটা বড় বিষয় নয়,
ভালো কিছু দেওয়া নেওয়ার মাজে
হয় ভালো মানুষের পরিচয়।"

___________________________
প্রকাশনায় : তরুণ ধর্মের আলো

দিপংকর হালদার, ভোলা, বাংলাদেশ।

Monday, April 27, 2020

৫২! তোমার প্রেমে পরিপূর্ণ || কাজল কুমার দাস

তোমার প্রেমে পরিপূর্ণ
কাজল কুমার দাস

বহুদিন পরে বধূয়া এলে ,
  আর দেখা না হইতো আমার প্রাণ গেলে
এই দুঃখির দিন দুঃখেতে গেলো
   তুমি তোমার নগরে ছিলে তো ভালো।

নিজ দুঃখ আমি কিছু না মানি ,
     আমি তোমার কুশলে কুশল জানি ।
           বাঞ্ছা করি না হে ,
আত্মইন্দ্রিয় প্রতি বাঞ্ছা করি না হে !
     এবার গগনে উদয় হউক চন্দ্র ,
আর মলয় পবন বহুক মন্দ ।

কোকিল আসিয়া করুক গান ,
ভ্রমরা ধরুক তাহার তান ।
তাই বাসুলী আবেশে কহে কাজল দাসে ,
দঃখ দরে গেলো সুখ বিলাসে !!
    
     আবার তেমন হলো গো,
যেমন ছিলো তোমায় নিয়ে ,
           তোমার প্রেমে পরিপূর্ণ ।।


Sunday, April 26, 2020

৫১! চোখে এলো জল_বন্ধু কিশোর

চোখে এলো জল
বন্ধু কিশোর

ভালবাসার মানে যদি
বুঝতে সেদিন তুমি,
তবে কেন চূর্ণ আজি
আমার হৃদয় ভূমি?

হাতটা ছেড়ে বললে তুমি
এখন তবে আসি,
জানলে না আজো- ভুলেও গেছো
কতটা ভালবাসি !!

অনেক সময় অনেক কথায়
অনেক ছন্দের ভিড়ে,
বোঝাতে চেয়েছি ভালবাসা কি
কতটা তোমায় ঘিরে !!

কবিতা তাহার হারাইল পথ
গানগুলো সুর হারা,
বুঝলেনা তুমি বুকের যাতনা
কেমন আছি তুমি ছাড়া ।।

রঙিন স্বপ্ন হারাইল রঙ,
ভালবাসা তার মন,
হাজার কোটি মানুষের মাঝে
তুমিই যে একজন !!

বুঝো নি তুমি, শুনো নি কথা
শেষবেলা এলো হয়ে,
আমার কান্না বয়েছিল যেমন
তেমনি যাচ্ছে বয়ে !!

Friday, April 10, 2020

৫০★ মায়াবী এক চাঁদনী রাতে_বন্ধু কিশোর


মায়াবী এক চাঁদনী রাতে
বন্ধু কিশোর

মায়াবী এক চাঁদনী রাতে খুঁজি আমি 
স্মৃতির ক্যানভাসে। 
আশেপাশে সেই পরিচিত মুখ খুঁজি,
যার চোখের তারায়
আমার রাতগুলি হারানোর কথা। 

অতঃপর পাহাড় চূড়ায় চাঁদনী রাতে
ছড়ানো চাঁদের আলোর
মাঝে তাকে খুঁজি।
চেয়ে দেখি বাক্যহীন ধূসর ক্যানভাসে 
এক অচেনা ছায়া।
আমি সেই চোখ দুটোকে আমার
মনের ক্যানভাসে রং তুলি দিয়ে 
এঁকে ফেলেছি তার হাসি, 
তার দুটো মায়াবী চোখ আমার ঘুম নষ্ট করে।
নির্ঘুম রাতে আমার সাথে তারা জেগে থাকে
.. একলা আমি বহুদূর পথ পাড়ি দিয়ে 
একটু থামি, 
.... চাঁদনী রাতে চাঁদের সাথে মেঘমালা খেলা করে
জোনাক জ্বলিছে,
এইখানে আমি সারা রাত জাগি জীবনের সংঘাতে।

মেঘলা আকাশ মায়াবী চাঁদনী রাতের 
রুপালী আলোয় ভেসে ওঠে এক চেনা মুখ ...
খুঁজছি আমি সেই তাকে 
যে কোন এক বৃষ্টিভেজা চাঁদনী রাতে—
আমার সাথী হবে....

Thursday, April 9, 2020

৪৯★ নিয়তির পথে_পলাশ শিকদার

                    নিয়তির পথে
                            পলাশ শিকদার

সময় বড় অদ্ভুত! নিরন্তর এক মহাপ্রলয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছি মনে হয়। চারিদিক নিস্তব্ধ হয়ে আসছে! শঙ্কার মিছিল দীর্ঘতর হচ্ছে। ক্ষণে ক্ষণে মনটা চূড়ান্ত বিষণ্নতায় ভরে যাচ্ছে! চেনা মানুষগুলোর সাথে ইচ্ছে থাকলেও কথা বলতে পারছিনা। পারছি না সাক্ষাৎ করতে।

আমি অবরুদ্ধ ঘরে, একা একা বসে আছি বারান্দায়,  মাঝে মাঝে করুণ শুরে কুকুর ডাকছে, চারিদিকে ঝিঝি পোকার ডাক, আবার টিকটিকির টিক টিক আওয়াজ মনকে বিহ্বল করে দিচ্ছে...

মনে হচ্ছে পরম্পরায় নিয়তির পথে আমায় হাতছানি দিয়ে ডেকে বলছে, আয় না পলাশ তুইও সঙ্গী হবি আমাদের সাথে....!

Sunday, April 5, 2020

৪৮★ রিলিজ হলো সঞ্জয় শীলের কথায় 'মানবকূল'

রিলিজ হলো সঞ্জয় শীলের কথায় 'মানবকূল'

বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় গীতিকবিদের মধ্যে সঞ্জয় শীল অন্যতম। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি অ্যালবামে গান লিখেছেন তিনি। তার মধ্যে শিল্পী পুর্ণ মিলনের  'সুখ নাই' এলবাম। রিংকুর 'যাইও দেখিয়া', শফী মন্ডলের 'মহাজন'। 'সংসার' গানটি গেয়েছেন কামরুজ্জামান রাব্বি। 'ওপার থেকে' গানটি তার জন্মদাতা পিতা বিমল শীল গেয়েছেন। তাঁর থেকে শিখেছেন গানের অনেক কিছু।
এমন তার অনেক গান বর্তমানে বাজারে চলতেছে। যা বেশ জনপ্রিয়তাও লাভ করেছে।
তারই ধারাবাহিকতায় এবার রিলিজ হলো আরেকটি নতুন গান 'মানবকূল' শিরোনামে। যে গানের কথা লিখেছেন সঞ্জয় শীল। গানটিতে সুর এবং কন্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী নাজমুল। গানটি আতিকুর রহমান আতিকের সঙ্গীত পরিচালনায় আজ রবিবার (5/3/2020) 'জি-সিরিজ' এর ব্যানার থেকে রিলিজ হয়।
সঞ্জয় শীলের সাথে কথা হলে তিনি জানান যে, 'তিনি বাংলা গানের সাথেই থাকতে চান এবং গান প্রিয় মানুষদের জন্য নিত্য নতুন গান উপহার দিতে চান। গানের মাঝেই তিনি সময় পার করছেন। গান লেখা নিয়েই সময় কেটে যায় তার।'
'তার গানের থার মধ্য দিয়ে যদি কোন মানুষ এতোটুকু আনন্দ এবং আত্মোপলব্ধি করতে পারে তাহলেই তাঁর গীতিকার জীবন সার্থক হবে বলে তিনি মনে করেন।'
গানটি পওয়া যাবে নিচের দেয়া লিংকে। ক্লিক করে দেখতে ও শুনতে পরেন গানটা। ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতে পারেন। ধন্যবাদ।

গানের লিংক : https://m.youtube.com/watch?v=_eH3wgcMrN0&feature=share

— সুব্রত মণ্ডল সৃজন

Saturday, March 28, 2020

৪৭! নিবেদন—রাখাল চন্দ্র মল্লিক

"সমগ্র বিশ্বে এ কি নির্মম পরিহাস!
গ্রাস করলো অভিসপ্ত করোনা ভাইরাস।
জগৎ জুড়ে বিসর্জন হচ্ছে হাজার হাজার
মানুষের প্রাণ,
কি উপায়ে হবে এই অশুভ ছায়ার পরিত্রাণ?
আসুন সবাই মেনে চলি ধর্মের শাসন ।।
হে প্রভু তোমার কাছে করি নিবেদন।
করো হে প্রভু তুমি এর সমাধান।"

—নিবেদন: রাখাল চন্দ্র মল্লিক, চট্টগ্রাম।
—প্রকাশনায়: তরুণ ধর্মের আলো।

Saturday, March 21, 2020

৪৬★ সচেতনতা ও করোনা_আর জে জয় সৃজন

সচেতনতা ও করোনা
আর জে জয় সৃজন

মহামারী করোনা ভাইরাস কলিযুগের লক্ষণের সাথে অনেকটাই মিল আছে বলে মনে করি।
মহামারী করোনা ভাইরাসকে দমন করতে হলে, সদা সচেতনতা অবলম্বন করে চলতে হবে৷ আতঙ্ক নয়, গুজব নয়, সঠিক নির্দেশনা, নিয়োম কানুন, মেনে চলতে হবে সকলের৷ ভয় কে জয় করতে হবে সবাই এক যোগে৷ মৃত্যুকে স্মরন করতে হবে। মনে রাখতে হবে, কলিতে কীর্তন করতে হবে, করুণ সুরে! হে করুণাময়ী! তুমি রক্ষা করো গোটা বিশ্ব মানব জাতিকে--৷
সবই সৃষ্টিকর্তার লীলা-খেলা। মাধব তুমি সবই করতে পারো। মাধব, তোমার কাছে নত আমরা গোটা বিশ্বের  মানব জাতি৷ ক্ষমা করো এবার বন্ধ করো তোমার এ তাণ্ডবলীলা! কীর্তন করবো, গীতা পড়বো রাতে, কর্ম করবো দিনের আলোতে, ধর্ম করবো কর্মের ফাঁকে৷ তুমি সঠিক পথে পথ চালাও আমাদের। মন ও শরীর সুস্থ রেখে৷ ভালো কাজে যদি নিযুক্ত করে দাও যেমন— দেশ ও দশের কল্যানে, জীব ও মানব সেবায় এবং তোমার নাম গুণ-গান যেন  করতে পারি হৃদয়-অন্তর-মন ও ভালোবাসা দিয়ে, এটা আমাদের প্রার্থনা তোমার কাছে।
হে মানব জাতি! এসো আমরা কীর্তন করি, গীতা পড়ি, নত হই কৃষ্ণ রাধা মাধবের কাছে, ভালো পথে চলি, সঠিক পথ খুজি, নম্র, ভদ্র  এবং ন্যায় পথের পথিক হই। অন্তর থেকে ভালোবাসি জীব-জন্তু, বস্তু, পশু-পাখি, মানুষ ও মানব জাতি এবং প্রকৃতি ও গোটা বিশ্বকে৷
আমাদের হৃদয়ে প্রকৃত ভালোবাসা অনেকাংশে নেই, ধংস হচ্ছে  বিবেক ও জীবন। অনেক কিছুর কারণে যেমন_ মোহ, অতি লোভ লালসা, হিংসা-নিন্দা, অবিশ্বাস, মিথ্যা কথা, জুলুম, অন্যায়, দুর্নীতি, অবিচার, ভালোবাসায় বিশ্বাস ঘাতকতা, খারপ পথে চলা, খারাপ কথা বলা, অন্যায়ের প্রতিবাদ না করা, অন্যায়ের পক্ষে  যোগ দেওয়া ও কথা বলা, ভালো পথে না চলা, ধর্মকর্মাদি না করা, ধর্মীয় স্থানে না যাওয়া, সত্য কথা না বলা, ঝগরা-জাটি, অধর্ম ও অহংকার ইত্যাদি। এসবের জন্য কলিতে মানুষ নামের মানব জাতির পতনের লক্ষণ দেখা দিচ্ছে। তাই বিশ্ব আজ হুমকির মুখে।
ভেবে দেখো নিজ মনে সকলে আর অন্তরে উপলব্ধি করো মনের সংযোগ দিয়ে, মনযোগ দিয়ে পড় এবং ভাবো যদি আমার সৃজনের এলো-মেলো, অগোছালো অতি ক্ষুদ্র লেখা থেকে কিছু অবশ্যই খুঁজে পাবে।
সময় ও বাস্তবতার সাথে বাস্তব জীবন চলতেছে কলিতে৷ তবে বাস্তব জীবন চলার পথে অনেক বাধা-বিপত্তি আসে মানব জীবনে৷ এ জন্য সুখ শান্তি,রভালোবাসা, ভালো কিছু পেতে হলে এবং বাধা ও বিপদ থেকে রক্ষা ও মুক্তি পেতে হলে  বাস্তব মানব জীবনে কিছু করণীয় আছে আমাদের।
সময়, প্রকৃতি ও পরিস্থিতি মানুষকে বাস্তব জীবন চলার পথে থামিয়ে দিতে পারে যে কোন সময়ে৷ তারই একটি দৃষ্টান্ত কলিতে এই হামারী 'নভেল করোনা ভাইরাস'।
করোনা চলে যাবে, আমরা যদি সচেতন হই এই করোনা ভাইরাস সম্পর্কে। উপলব্ধি ও সঠিক আচরণ করতে পারি নিজ নিজ মনে, সুন্দর হবে পৃথিবী।
প্রকৃত বিবেক ও জ্ঞান  আছে যার মধ্যে সেই-ই হয় মানুষ থেকে মহা-মানব৷
সর্ব জীবের কল্যাণ প্রার্থনায় 'তরুণ ধর্মের আলো'।
২০ মার্চ, ২০২০।
লেখক

Wednesday, January 22, 2020

৪৫★ কবিতা_প্রেম বর্ষণ_বিপুল বিশ্বাস



প্রেম বর্ষণ
বিপুল বিশ্বাস

হাজার ফুল ফোটে বিশ্ববাগানে,
 সব ফুল যায় না শ্রী গোবিন্দের চরণে।
কতবার আসে যায় এই পৃথিবীতে...
অকারণে ঝরে যায়, লোভ-লালসাতে।

কিসের আশায় পৃথিবীতে আসা?
 ভাবি নাই মনে, সবই নিরাশা আমার,
আমার আমার করি আমি,
 আমি কার? ভাবি নাই একবার।

ভাববো কেমন করে?
 জ্ঞানের আলো মোর রয়েছে যে ঢাকা,
 কেমন করে পাবো তাঁরে?
 এই শুধু ভাবি যে একা।

আশা করি তোমার আশা
 তুমি আমার শেষ ভরসা
 তুমি ছাড়া নাই মোর গতি,
 তোমার চরণে রেখো আমার অটল ভক্তি।

তোমার কাছে এই নিবেদন-
তোমার চরণে থাকে যেন আমার
                'প্রেম বর্ষণ'।

(তরুণ প্রভা, ২০১৬)