Friday, November 27, 2020
কর্তব্য
Thursday, November 26, 2020
একটি_ছেলের_একাদশী_ব্রত_পালন
একটি_ছেলের_একাদশী_ব্রত_পালন
ওঁ তৎ সৎ
আজ বলবো, এক ছেলের জীবনের প্রথম একাদশীর উপবাস থাকার কথা।
ছেলেটার এতগুলো বছর কেটে গেলো কোনোদিন এই উপবাস করে নি। কতজন যে তাকে বলেছে, দেখো, তুমি তো মনে হয় আধ্যাত্মিক জগতের মানুষ, কারণ, তোমার কথাবার্তার ধরণও আধ্যাত্মিকের মতই। তোমার অনেককিছুই ভালো লাগে কিন্তু একটা জিনিস ভালো লাগে না। এই যে একাদশীর উপবাস থাকো না। কোন ব্রত রাখো না। আবার কথাও বলো পাকা পাকা...!
ছেলেটা এতদিন এসব কথার পেছনে যে কত যুক্তি দিয়েছে। সেগুলো তারা শুনে আরো কোনো কথা বলার সুযোগ পায়নি।
ছেলেটাকে অনেকের মধ্যে বিশেষ করে যারা একাদশীর ব্রত থাকা নিয়ে কথা বলতেন, তাকে ব্রত পালন করার জন্য বিভিন্ন কথা বলতেন এমনকি এখনো বলেন তারা হলেন, শ্রী সুজিৎ কুমার দত্ত, শ্রী দিপংকর হাওলাদার, শ্রী বলাই কুমার পাল, শ্রী বৈকুণ্ঠ সরকার, শ্রী দিপক বৈরাগী প্রমুখ।
কিন্তু ছেলেটা এবার করলো কী? মনে মনে স্থির করলো যে, একটা ব্রত অন্ততপক্ষে পালন করার চেষ্টা করি, দেখা যাক কী হয়? কেমন লাগে? পরবর্তী ব্রত থাকার কথা না হয় পরে দেখা যাবে। তাই সে গত কাল (২৬ নভেম্বর, ২০২০) যে একাদশীর ব্রত, সেটা পালন করার জন্য যথাযথ চেষ্টা করে। যদিও নিয়ম-কানুন তেমন কিছুই জানে না ছেলেটি, তবুও ঠাকুরের শ্রীচরণে দেহ মন অর্পণ করে শুরু করে ব্রত। অনেকে বলে থাকেন যে, যদি কেউ নির্জলা ব্রত থাকতে না পারে তাহলে সে কিছু ফল-জল সেবা তা করতে পারে। এতে দোষের কিছুই নেই, মূল কথা হচ্চে তার সংযম বা লক্ষ্য ঠিক আছে কি না!
তাই সে দুপুরে দুটো কলা, রাতে দুটো কলা ও অর্ধেকটি কমলা সেবা করে এবং ঠাকুরের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে... সাথে সকাল, সন্ধ্যায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মুখনিঃসৃত বাণী শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা অধ্যয়ন করে। পরদিন সকালে নিজে হাতে খিচুরি রান্না করে ঠাকুরকে নিবেদন করে নিজে প্রসাদ গ্রহণ করে।
এখন, সেই ছেলেটি এই একাদশীর ব্রত রাখার চেষ্টার মাধ্যমে যে বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছে তা হলো— এই একাদশী ব্রত শুধু একক দৃষ্টিকোণ থেকে নয় বরং এমন ব্রত প্রতিটি মানুষেরই করা কর্তব্য। কেননা, এতে শারীরিক যেমন উপকার আছে তেমনি আছে মানসিক উপকার। এতে মনের তথা শরীরের অনেক ব্যাধিও দূরীভূত হয়ে যায়। সেইসাথে পরমানন্দ তো আছেই...! আর যদি কেউ যথাযথ নিয়মে এই ব্রত পালন করতে পারে সেক্ষেত্র তো সে যথাযথই ফল লাভ করবে এতে কোনো সন্দেহ নেই বলে শ্রীভগবানের প্রতি ছেলেটির এই বিশ্বাস জন্মেছে।
তবে, কথাও আমাদের স্মরণ রাখতে হবে যে, শুধু না খেয়ে কিংবা অনাহারে থাকার নামই কিন্তু ব্রত পালন নয়, ব্রত পালনের মূল কথা নিজেকে যথাযথ সংযত রাখা। ঠাকুরের শ্রীচরণে সদা নিজেকে অর্পণ করে দেয়া, তাঁর স্মরণ নেয়া। লোভ, হিংসা, অহঙ্কার প্রভৃতি মনোভাব বর্জিত হয়ে তবেই ব্রত পালন করা কর্তব্য।
তাই, আসুন আমরা সবাই যথাযথ ভাবে শ্রীশ্রী একাদশী ব্রত পালন করি, সুস্থ সুন্দর জীবন গড়ি, পরমানন্দ লাভ করি।
হে ভগবান! তুমি সকলের মঙ্গল করো প্রভু!
|| জয় মা ||
#কলমে : সুব্রত মণ্ডল সৃজন
#প্রকাশনায় : তরুণ ধর্মের আলো
Wednesday, November 11, 2020
সংগঠন পরিচিতি ও সদস্য ফরম
Wednesday, November 4, 2020
সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়
"তরুণ ধর্মের আলো" সংগঠন কর্তৃক পরিচালিত
'সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়' উদ্বোধন সম্পর্কিত প্রাথমিক তথ্যসমূহ :
===============================
* 'তরুণ ধর্মের আলো' সম্পর্কে জেনে নিন।
* 'সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়' উদ্বোধন সামগ্রী (গ্রন্থাদি, খাতা, কলম, ব্যানার ইত্যাদি) 'তরুণ ধর্মের আলো' কর্তৃক প্রদান করা হবে।
* 'সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়' পরিচালনা কমিটির সদস্যদের 'তরুণ ধর্মের আলো'র নিবন্ধিত সদস্য হতে হবে।
* 'সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়ে'র সদস্যদের একটা তালিকা 'তরুণ ধর্মের আলো'র কাছে প্রদান করতে হবে।
* সদস্যদেরকে একটি করে 'সদস্য ফরম' পূরণ করতে হবে।
* 'তরুণ ধর্মের আলো' কর্তৃক সবাইকে একটা করে পরিচয়পত্র প্রদান করা হবে।
* 'সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়ে'র সদস্যদের কাছ থেকে সাপ্তাহিক/মাসিক প্রণামি উত্তোলন করবেন—পরিচালনা কমিটি। সেই প্রণামী পরিচালনা কমিটিতেই রাখা হবে এবং সেখান থেকে প্রতি মাসে 'তরুণ ধর্মের আলো' সংগঠনে একটা অংশ (.....%) প্রণামি হিসেবে প্রদান করবেন, প্রয়োজনে সংগঠনের যেকোনো কল্যাণে ব্যয় করা হবে।
* 'সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়' পরিচালনা সম্পর্কিত তথ্য পরবর্তীতে (দ্রুত) জানিয়ে দেয়া হবে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য :
* 'সনাতন ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষালয়' থেকে যেকোনো সিদ্ধান্ত 'তরুণ ধর্মের আলো'র সাথে পরামর্শ করে গ্রহণ করবে।
* বিশেষ কারণে নীতিমালা সংশোধন হতে পারে।
ধন্যবাদান্তে ও শুভ কামনায় : #তরুণ_ধর্মের_আলো
Thursday, October 22, 2020
Saturday, October 10, 2020
অন্যরকম চিন্তা-চেতনা🕊
Sunday, August 30, 2020
তরুণ ধর্মের আলো'র কমিটি পরিচিতি :
উপদেষ্টা মণ্ডলী :
* শ্রী মুকুল বোস
* শ্রী হরিপদ সরকার
* শ্রী বিকাশ চন্দ্র দাস
* শ্রী সন্তোষ কুমার পোদ্দার
* শ্রী শুশিল বিশ্বাস
সভাপতি : সুব্রত মণ্ডল সৃজন 01718231486
সহ-সভাপতি : বৈকুণ্ঠ সরকার 01775834435
সম্পাদক : সুমন ভদ্র 01777106352
সহ-সম্পাদক : অসিত কুমার রায় 01747350273
সাংগঠনিক সম্পাদক :
সদানন্দ বাড়ৈ 01745409458
বিপুল বিশ্বাস 01735769099
সুমন দাস 01765425047
অর্থ সম্পাদক : অনুপম নন্দী 01765240240
সহ-অর্থ সম্পাদক : সমীর বসু 01792343770
তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক : প্রবীণ মল্লিক রথিন 01777565823
দপ্তর সম্পাদক : কার্তিক বর 01784220584
প্রচার সম্পাদক :
বলাই কুমার পাল 96607502817150 (ইরাক)
দয়াল শীল 01728937853
কামনাশীষ কৃশানু 01830677561
অনিক বিশ্বাস 01795944421
— কর্তৃপক্ষ
Monday, August 10, 2020
Saturday, August 8, 2020
৬৬★ ভালোবাসার ধন
Friday, August 7, 2020
৬৫★ ফেসবুক গ্রুপ
৬৪★ সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ
ওঁ তৎ সৎ
'তরুণ ধর্মের আলো'
সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ :
১. আধ্যাত্মিক শিক্ষা অর্জন।
২. অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি করা।
৩. মানব ও সমাজ উন্নয়নমূলক কাজ করা।
৪. অাধ্যাত্মিকতার সহিত বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করা।
৫. ধর্মীয় সংস্কৃতি চর্চা ও শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান।
৬. শিক্ষা ও গবেষণার জন্য সম্মান সূচক, পুরস্কার, পদক, অনুদান ও বৃত্তি প্রদান।
৭. ধর্মীয় গ্রন্থাবলী প্রণয়ন, সাময়িকী এবং তথ্যসমৃদ্ধ প্রচারপত্র প্রকাশ করা।
৮. ধর্মীয় ইতিহাস, আদর্শ, সাহিত্য, দর্শন, সংস্কৃতি সংক্রান্ত বিষয়ে গবেষণা পরিচালনা এবং আলোচনা সভা, কর্মশালা, প্রদর্শনীসহ অনুষ্ঠানাদির আয়োজন।
৯. সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ধর্মীয় মূল্যবোধ, বিশ্বভ্রাতৃত্ববোধ, মানবতাবোধ, সহিষ্ণুতা, সহমর্মিতা প্রতিষ্ঠা।
১০. ধর্ম সংক্রান্ত সমৃদ্ধ লাইব্রেরী গড়ে তোলা।
সকলের কল্যাণ প্রার্থনায় *_* তরুণ ধর্মের আলো
Sunday, August 2, 2020
৬৩★ কমিটির পুনঃর্গঠন ও অন্যান্য
Sunday, June 21, 2020
৬২★ পৃথিবীর এই রঙ্গমঞ্চে
- পৃথিবীর এই রঙ্গমঞ্চে
- পলাশ শিকদার
Saturday, June 13, 2020
৬১! 'শিবগীতা' কি ?
- ওঁ তৎ সৎ
Thursday, June 4, 2020
৬০★ ষষ্ঠ বর্ষে 'তরুণ ধর্মের আলো'
Monday, May 25, 2020
৫৯★ রক্ষা করো প্রভু
রক্ষা কর প্রভু
পলাশ শিকদার
একফালি চাঁদের মাঝে এতখানি বিষাদ!
দেশ ও দশের মাঝে মিলেছে অবসাদ!
ঝড়ের তান্ডব শেষ হবার পরে
দেখা দিলো মনের অন্তরালে।
এ কেমন নিয়তি, এ কেমন তান্ডব!
মেনে নেওয়া যায় কী এমন ধ্বংসযজ্ঞ?
কৃষকের মাঠে ধান, পাট আর সবজির ক্ষতি
ঝড়ের কারণে মিলেছে মনের অশান্তি।
জৈষ্ঠ্যর মাঝামাঝি হলো এমন নাশ,
দেখেও নাই প্রবীণেরা এমন বিনাশ!
গরীবের বাড়ি-ঘর হয়েছে বিলীন
মাথায় পরেছে হাত, চেহারা মলিন!
এমন প্রলয় দিয়ো না কভু
সর্বসাধারণেরে রক্ষা কর প্রভু।
এই মিনতি করি দু'হাত তুলি
তোমারি সন্তান যে আমরা সকলি...
Friday, May 22, 2020
৫৮★ অসমাপ্ত কাহিনী_দেবব্রত পাল
🍀🍀অসমাপ্ত কাহিনী🍀🍀
দেবব্রত পাল
গল্প, উপনাস, প্রবন্ধ এগুলো পড়তে আমার বেশ ভালো লাগে। আমি প্রায়ই গল্পের বই পড়ি। কখনো গোপাল ভাড়, কখনো চাঁদের বুড়ি ম্যাজিক ম্যান, কখন বা Hunter the Ghost, After the Trove, Ghost the house ইত্যাদি।
একদিন আমার খুড় মশায় কোলকাতা থেকে আমাদের বাড়িতে এলেন। দশ-পনের দিন ছিলেন আমাদের বাড়িতে। উনি জানতেন যে আমি বই পড়তে ভালোবাসি। তো উনি কোলকাতা থেকে আসার সময় আমার জন্য রবি ঠাকুরের একটা গল্পের বই নিয়ে এলেন। তাতে আনেকগুলো গল্প ছিলো। ঐ গল্পগুলোর মধ্যে থেকে আমার একটা গল্প বেশ ভালো লেগেছিল গল্পটির নাম হলো 'গুপ্তধন'।
এই গল্পটি পড়ার পর আমার মাঝে অন্য রকম পরিবর্তন আসলো।
যাই হোক পরের বার যখন খুড় মশায় আবার এলেন তখন উনার সাথে ঘুড়তে গিয়েছিলাম ওনার মামার বাড়িতে 'শ্রীনগর'।
আমি, খুড় মশায় আর খুড়তুত ভাই সুব্রত। ওর সাথে ছিলো আমার খুব ভাব, নামেও যেমন কাজেও তেমন। সুব্রত আর দেবব্রত। তখন ছিলো আষাঢ় মাস। শ্রী শয়নৈকাদশীর দিন আমরা যাত্রা শুরু করলাম ট্রেন পথে। বেশ ভালো লাগছিলো। যাত্রা পথে সুব্রত আমায় বলছিলো যে দেবব্রত জানিস, শ্রীনগরে মানে আমার বাবার মামার বাড়ি থেকে দুই কিলোমিটার দূরে একটা জমিদার বাড়ি আছে।ওখানে কেউ যায় না। ওটা নাকি খাড়া বাড়ি নামে কথিত। কথা বলতে বলতে আমাদের ট্রেন শ্রীনগর স্টেশনে এসে থামলো।
খুড় মশায় একটা রিকশা ভাড়া করে। স্টেশন থেকে চার কিলোমিটার পথ খুড় মশায় এর মামার বাড়ি। রিকশা চড়ে যাচ্ছিলাম আমরা তিন জন। চার দিকে পাহাড় আর ঝোপঝাড়ে ঘেরা। কেমন যেনো নির্জন! জন-মানবহীন একটা গ্রাম। লোকজন তেমন নেই।গ্রামটির অবস্থা এমন যে দুই-এক কিলোমিটার পরে একটি কুঁড়েঘর দেখা যায়। যদিও গ্রামটি দেখতে অদ্ভুত তবুও বেশ ভালো লাগছিলো।
যাই হোক অবশেষে ঠাকুর দাদুর বাড়ি এসে উঠলাম।বিকাল হয়ে গেলো, একাদশীতে রাত্রে ওখানে হরি বাসর আয়োজন করা হয়। আমি আর দাদাভাই কিছুক্ষণ ছিলাম তার পরে ঘুমিয়ে পড়লাম।
সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে স্নান করে পূজা শেষে পারনটা সেরে নিলাম। যতই সময় যাচ্ছে, জমিদার বাড়ি সম্পর্কে আমার কৌতূহল যেনো বেড়েই চলছে।
অবশেষে সময় হলো ওই ঘন মুহূর্তের। দুপুরবেলা খাওয়া শেষ করে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আমি, সুব্রত, আর ভোলা নামে এক ছেলেকে নিয়ে হাঁটতে বের হলাম। হাঁটতে হাঁটতে আমরা জমিদার বাড়ির নিকটে এসে পৌঁছলাম। যদিও বর্ষা কাল কিন্তু তখন বৃষ্টি ছিলো না বরং রোদের ভীষণ তাপ ছিলো। জমিদার বাড়িটি দেখতে ছিলো অসাধারণ। কি সুন্দর কারুকার্য আর ঝোপঝাড়ে ঘেরা! যদিও জমিদার বাড়িটিকে খাড়া বাড়ি বলা হতো কিন্তু আমাদের তিন জনের চোখে কোনো ভয় ছিলো না। গাছ পালা আর লতাপাতায় ঘেরা থাকার করণে বেশ অন্ধকার ছিলো বাড়িটি। ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না সূর্যদেব অস্তমিত হলো কিনা(?) ভোলার হাতে একটা টর্সলাইট ছিলো ঐ টসলাইটের আলোতে আমরা তিন জন হাঁটতেছিলাম।
জমিদার বাড়ির প্রবেশদ্বারে উত্তর-পূর্ব কোণে একটা মন্দির দেখতে পেলাম। মন্দিরে বিশাল বড় একটি শালগ্রাম শিলার নারায়ণের মুর্তি দেখতে পেলাম।ভোলার কাছে জানতে পারলাম স্বয়ং জমিদার দ্বদিক নারায়ণ নাকি এই শালগ্রাম শিলার পূজা করতেন।
মন্দিরে চারটি স্তম্ভ ছিলো। তার মধ্যে একটি প্রায় নেই বললেই চলে। মন্দিরে পিছনে, জমিদার বাড়ির পূর্ব-দক্ষিণ কোণে একটা পুকুর ছিলো।
হঠাৎ মন্দিরের পিছন থেকে একটা বিড়ালের মিউ মিউ শব্দ শুনে আমরা তিনজন ভয় পেয়ে যাই! তিন জনের শরীর চমকে উঠলো। হঠাৎ করে আমার কানে যেনো নূপুরের শব্দ ভেসে আসতে লাগলো। শব্দটা আসছিলো ঠিক পুকুর ঘাট থেকে। কিন্তু শব্দটি আমি ছাড়া ওরা শুনতে পাচ্ছিলোনা।
যদিও পূর্ণিমার আলোতে পথ দেখা যাচ্ছিলো তবুও আমি ভোলার কাছে থেকে টর্স লাইটটা চেয়ে নিলাম।আর ধীরে ধীরে পুকুর ঘাটের দিকে এগিয়ে চললাম।হঠাৎ আমার মাথায় কিশের যেনো আঘাত পেলাম। আমার হাত থেকে টর্সলাইটি পড়ে গেলো। পড়ে যাওয়া লাইটের আলোতে ঘাটে পড়ে থাকা একটি নূপুর দেখতে পেলাম।
আমার মাথা ঘুরাচ্ছে, চোখ বুজে আসছে। যখন চোখ খুলি তখন দেখি আমি ঠাকুর দাদুর বাড়িতে শুয়ে আছি!
মাথা ভীষণ ব্যথা করছে আর গায়ে ভীষণ জ্বর! আস্তে আস্তে আমি সুস্থ হয়ে উঠলাম।
ওরা ভয়ে ঐ জমিদার বাড়ি যাওয়ার কথা কাউকে বললো না। জানি না কী বলে বুঝালো বাড়ির সবাইকে। আমি আর ঐ নূপুর এর কথা ওদেরকে বলিনি। ঐ নূপুরটির কাহিনী আমার কাছে এখনো অসমাপ্তই রয়ে গেলো...
Saturday, May 2, 2020
৫৭★ গীতিকবি সঞ্জয় শীলের জন্মদিনে || তরুণ ধর্মের আলো
গীতিকবি সঞ্জয় শীলের জন্মদিনে ||
তরুণ ধর্মের আলো
জনপ্রিয় গীতিকবি সঞ্জয় শীলের জন্মদিন আজ (৩ মে) । ১৯৮০ সালের এইদিনে মামা বাড়ি ঢাকার নবাবগঞ্জের আগলা চৌকিঘাটায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পৈতৃক নিবাস মাদারীপুরের শিবচরের শিরুয়াইল গ্রামে।
পিতৃদেব বিমল শীল ও মাতৃদেবী জ্যোৎস্না রানী শীল। চার ভাই বোনের মধ্যে তিনি বড়।
'প্রেম কুঞ্জো, জীবন গাড়ি, মরণ গাড়ি, বিচার , সুখ নাই, এই অভাগী, ভাবের মানুষ, আমি যে একা অ্যালবামসহ আরো অসংখ্য গান রয়েছে তার।
ইউটিউবে "সঞ্জয় শীল/SANJOY SHIL" লিখে সার্চ দিলেই অসংখ্যা তাঁর গান পাওয়া যায়। অনেক গান হয়তো আপনার শোনাও আছে হয়তো জানা হয়নি গানের গীতিকবি কে?
সঞ্জয় শীলের ছোটবেলা কেটেছে মাদারীপুর জেলার শিবচরের শিরুয়াইলে। তিনি কদমবাড়ির 'মহামানব গণেশ পাগলে এক পরম ভক্ত! সর্বদা তিনি তাঁর চরণ প্রার্থী। পাগলের কাছে আমরাও প্রার্থনা করি...
সঞ্জয় শীলের বাবা একজন বাউল শিল্পী ছিলেন। তাঁর কাছ থেকে সঙ্গীতের অনেক কিছু শিখেছেন।
সংগীতকে ভালোবেসে অবিরাম পথ চলছেন তিনি...
আমরা তাঁকে পেয়ে সত্যিই আনন্দিত! জন্মদিনে দাদার প্রতি জানাই 'তরুণ ধর্মের আলো' সংগঠন থেকে জন্মদিনের 'সঙ্গীত-শুভেচ্ছা'। দাদার জন্য আমরা সর্বদা শুভ কামনা স্রষ্টার কাছে!...
সেই সাথে 'গীতিকবি সঞ্জয় শীলকে এই সংগঠনের সদস্য হিসেবে গ্রহণ করা হলো।' জীবনের বাকিটা পথচলা হোক সুস্থ-সুন্দর!
তিনি, সকলের কাছে আশির্বাদ প্রার্থনা করে সবার জন্য শুভ কামনা করে বলেন যে, সবাই ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন। সতর্কতা অবলম্বন করুন। এই মহামারি থেকে পৃথিবী মুক্ত হয়ে আলোর মুখ দেখুক আবার।'
জয়হো মানবতার, জয় হোক সংগীতের,
জয় হোক সনাতনের।
সুব্রত মণ্ডল সৃজন
সভাপতি
|| তরুণ ধর্মের আলো ||
|| ০৩ মে, মুজিববর্ষ || দিঘলকান্দি ||
Friday, May 1, 2020
৫৬★ সবার_উদ্দেশ্যে_সতর্কমূলক_কথা || তরুণ ধর্মের আলো
ওঁ তৎ সৎ
#সবার_উদ্দেশ্যে_সতর্কমূলক_কথা
সুধী ভক্তমণ্ডলী প্রণাম গ্রহণ করুন!
'তরুণ ধর্মের আলো' সংগঠনে সংযুক্ত সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, এই সংগঠন আপনার, আমার, আমাদের তথা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্বজনীন সংগঠন।
[★কোন মত-পথকে ছোট করে দেখা বা বদনাম রটানো,
★কেউ যাতে মনে কষ্ট পায় এমন পোস্ট বা মন্তব্য করা,
★অসৌজন্যমূলক কথা বলা বা আচরণ করা এবং
★কারো মনে কষ্ট দেয়া সংগঠনের উদ্দেশ্য নয়।]
কারো কোনো বিষয়ে জানতে প্রয়োজন হলে, বিনম্র চিত্তে জিজ্ঞাসা করুন এবং অন্যদের জিজ্ঞাসার যথাসম্ভব উত্তর দেবার চেষ্টা করুন।
উত্তর মনমত হলে ভালো (কৃতজ্ঞতা স্বীকার করুন),
না হলে কষ্ট না নিয়ে অন্যত্র জিজ্ঞাসা করতে পারেন (কটাক্ষমূলক পাল্টা প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়)।
সবার জানার মতো কোনো তথ্য, লেখা (যথাসম্ভব তথ্যসূত্রসহ) বা যেকোনো মতামত থাকলে অবশ্যই সুন্দর করে প্রকাশ করতে অনুরোধ করা হলো!...
আমরা চাই, যে যার 'মত-পথ' নিয়েই থাকুন না কেন, সেটাতে বিশ্বাস, ভক্তি থাকা ভালো। তাই বলে অন্য মত-পথের বিরুদ্ধাচরণ করে কারো মনে কষ্ট না দেয়াই উত্তম বলে মনে করি।
[আমাদের উদ্দেশ্য,
★সবাই যাতে মিলেমিশে থাকতে পারি,
★সত্যকে জানা, জীবনে প্রয়োগ ও মানুষের মাঝে প্রকাশ করা।
★কুসংস্কার দূরীকরণে সদা সচেষ্ট থাকা]
[একটা কথা মনে রাখতে হবে, 'ভক্ত হতে যেন বিভক্ত না হই।' আমরা সনাতনী, যেন ভুলে না যাই! যেন স্মরণে থাকে, 'যাহা সত্য তাহা সনাতন!'
জয় হোক সনাতনের, জয় হোক মানবতার।]
"আসুন আমরা মানুষ হবার পথে চলি...! আঁধারে জ্বালাই আলো"।
স্মরণে রাখতে হবে সংগঠনের মূলমন্ত্র, "ভালোবাসাই ধর্ম, ঘৃণা করাই পাপ।" তাই ভালোবাসায় জীবন উৎসর্গ করি, পাপ থেকে দূরে থাকি।
সকলের কল্যাণ প্রার্থনায় —
— "তরুণ ধর্মের আলো"
[বি:দ্র: এই সংগঠনের উদ্দশ্য ও কার্যক্রম যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে আপনার সনাতনী বন্ধুকেও সংযুক্ত করুন! নিজে জেনে অন্যদেরও জানান! সকলের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আলোচনা করুন।
★সংগঠন সম্পর্কিত কারো কোনো সমস্যা বা অভিযোগ থাকলে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো][Email : tdadk2015@gmail.com ]
#বাণীতে :
সভাপতির আনুরোধে
সুমন ভদ্র, সম্পাদক, তরুণ ধর্মের আলো
৫৫★ সত্যটা_জানার_প্রায়শ_করি || বলাই কুমার পাল || ইরাক || তরুণ ধর্মের আলো
Thursday, April 30, 2020
৫৪! কাম ও প্রেমের মধ্যে পার্থক্য কী? || বলাই কুমার পাল || ইরাক || তরুণ ধর্মের আলো ||
Tuesday, April 28, 2020
৫৩★ দিপংকর হালদার-এর কাব্যিক বাণী (১—৬)
দিপংকর হালদার-এর কাব্যিক বাণী (১—৬)
১★
"জাত কবি না স্বভাব কবি?
মুখে শুধু প্রেম প্রেম
অন্তরে কামনার ছবি!"
২★
"দেহকে শুদ্ধ করে কি লাভ?
মন-আত্মা যদি পরিশুদ্ধ না হয়।
তবে পাগলের দেহ শুদ্ধ না হলেও
আত্মা-মন উভয়েই পরিশুদ্ধ।
তাহলে পাগল ভালো, পাগলই শ্রেয়
গাই পাগলের জয়গান।"
৩★
"একটা নারীর চরিত্র দেখে তুমি
সকল নারীর চরিত্র বিচার করো না,
এমন অনেক নারীর চরিত্র বিচার করতে গেলে
তুমি নিজেই চরিত্রহীন হয়ে যাবে।"
৪★
"এক অঙ্গে তোমার কতো রঙ্গো...
করিয়া তুমি প্রণয় ভঙ্গ।
করছো অন্যের সঙ্গ,
না রাখতে পারলে কথা দিয়ে তা
ভঙ্গ করলে ক্যান?"
৫★
"ভালোবাসি বলে ভালো লাগে,
ভালোবাসাটা ভালো লাগা নয়।
খামকা উল্টাপাল্টা কথা কইয়া
দিওনা শয়তানের পরিচয়।"
৬★
"কি নিতে এসে কি দিয়ে গেলাম
এটা বড় বিষয় নয়,
ভালো কিছু দেওয়া নেওয়ার মাজে
হয় ভালো মানুষের পরিচয়।"
___________________________
প্রকাশনায় : তরুণ ধর্মের আলো
Monday, April 27, 2020
৫২! তোমার প্রেমে পরিপূর্ণ || কাজল কুমার দাস
তোমার প্রেমে পরিপূর্ণ
কাজল কুমার দাস
বহুদিন পরে বধূয়া এলে ,
আর দেখা না হইতো আমার প্রাণ গেলে
এই দুঃখির দিন দুঃখেতে গেলো
তুমি তোমার নগরে ছিলে তো ভালো।
নিজ দুঃখ আমি কিছু না মানি ,
আমি তোমার কুশলে কুশল জানি ।
বাঞ্ছা করি না হে ,
আত্মইন্দ্রিয় প্রতি বাঞ্ছা করি না হে !
এবার গগনে উদয় হউক চন্দ্র ,
আর মলয় পবন বহুক মন্দ ।
কোকিল আসিয়া করুক গান ,
ভ্রমরা ধরুক তাহার তান ।
তাই বাসুলী আবেশে কহে কাজল দাসে ,
দঃখ দূরে গেলো সুখ বিলাসে !!
আবার তেমন হলো গো,
যেমন ছিলো তোমায় নিয়ে ,
তোমার প্রেমে পরিপূর্ণ ।।
Sunday, April 26, 2020
৫১! চোখে এলো জল_বন্ধু কিশোর
Friday, April 10, 2020
৫০★ মায়াবী এক চাঁদনী রাতে_বন্ধু কিশোর
Thursday, April 9, 2020
৪৯★ নিয়তির পথে_পলাশ শিকদার
নিয়তির পথে
পলাশ শিকদার
সময় বড় অদ্ভুত! নিরন্তর এক মহাপ্রলয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছি মনে হয়। চারিদিক নিস্তব্ধ হয়ে আসছে! শঙ্কার মিছিল দীর্ঘতর হচ্ছে। ক্ষণে ক্ষণে মনটা চূড়ান্ত বিষণ্নতায় ভরে যাচ্ছে! চেনা মানুষগুলোর সাথে ইচ্ছে থাকলেও কথা বলতে পারছিনা। পারছি না সাক্ষাৎ করতে।
আমি অবরুদ্ধ ঘরে, একা একা বসে আছি বারান্দায়, মাঝে মাঝে করুণ শুরে কুকুর ডাকছে, চারিদিকে ঝিঝি পোকার ডাক, আবার টিকটিকির টিক টিক আওয়াজ মনকে বিহ্বল করে দিচ্ছে...
মনে হচ্ছে পরম্পরায় নিয়তির পথে আমায় হাতছানি দিয়ে ডেকে বলছে, আয় না পলাশ তুইও সঙ্গী হবি আমাদের সাথে....!
Sunday, April 5, 2020
৪৮★ রিলিজ হলো সঞ্জয় শীলের কথায় 'মানবকূল'
এমন তার অনেক গান বর্তমানে বাজারে চলতেছে। যা বেশ জনপ্রিয়তাও লাভ করেছে।
গানটি পওয়া যাবে নিচের দেয়া লিংকে। ক্লিক করে দেখতে ও শুনতে পরেন গানটা। ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতে পারেন। ধন্যবাদ।
গানের লিংক : https://m.youtube.com/watch?v=_eH3wgcMrN0&feature=share
Saturday, March 28, 2020
৪৭! নিবেদন—রাখাল চন্দ্র মল্লিক
"সমগ্র বিশ্বে এ কি নির্মম পরিহাস!
গ্রাস করলো অভিসপ্ত করোনা ভাইরাস।
জগৎ জুড়ে বিসর্জন হচ্ছে হাজার হাজার
মানুষের প্রাণ,
কি উপায়ে হবে এই অশুভ ছায়ার পরিত্রাণ?
আসুন সবাই মেনে চলি ধর্মের শাসন ।।
হে প্রভু তোমার কাছে করি নিবেদন।
করো হে প্রভু তুমি এর সমাধান।"
—নিবেদন: রাখাল চন্দ্র মল্লিক, চট্টগ্রাম।
—প্রকাশনায়: তরুণ ধর্মের আলো।
Saturday, March 21, 2020
৪৬★ সচেতনতা ও করোনা_আর জে জয় সৃজন
আর জে জয় সৃজন
মহামারী করোনা ভাইরাসকে দমন করতে হলে, সদা সচেতনতা অবলম্বন করে চলতে হবে৷ আতঙ্ক নয়, গুজব নয়, সঠিক নির্দেশনা, নিয়োম কানুন, মেনে চলতে হবে সকলের৷ ভয় কে জয় করতে হবে সবাই এক যোগে৷ মৃত্যুকে স্মরন করতে হবে। মনে রাখতে হবে, কলিতে কীর্তন করতে হবে, করুণ সুরে! হে করুণাময়ী! তুমি রক্ষা করো গোটা বিশ্ব মানব জাতিকে--৷
প্রকৃত বিবেক ও জ্ঞান আছে যার মধ্যে সেই-ই হয় মানুষ থেকে মহা-মানব৷
Wednesday, January 22, 2020
৪৫★ কবিতা_প্রেম বর্ষণ_বিপুল বিশ্বাস
প্রেম বর্ষণ
বিপুল বিশ্বাস
হাজার ফুল ফোটে বিশ্ববাগানে,
সব ফুল যায় না শ্রী গোবিন্দের চরণে।
কতবার আসে যায় এই পৃথিবীতে...
অকারণে ঝরে যায়, লোভ-লালসাতে।
কিসের আশায় পৃথিবীতে আসা?
ভাবি নাই মনে, সবই নিরাশা আমার,
আমার আমার করি আমি,
আমি কার? ভাবি নাই একবার।
ভাববো কেমন করে?
জ্ঞানের আলো মোর রয়েছে যে ঢাকা,
কেমন করে পাবো তাঁরে?
এই শুধু ভাবি যে একা।
আশা করি তোমার আশা
তুমি আমার শেষ ভরসা
তুমি ছাড়া নাই মোর গতি,
তোমার চরণে রেখো আমার অটল ভক্তি।
তোমার কাছে এই নিবেদন-
তোমার চরণে থাকে যেন আমার
'প্রেম বর্ষণ'।
(তরুণ প্রভা, ২০১৬)
-
★ তুমি মোদের একজনা তুমি মোদের একজনা সুব্রত মণ্ডল সৃজন উৎসর্গ : বন্ধু কিশোর'কে। ...








