Monday, May 25, 2020

৫৯★ রক্ষা করো প্রভু

                     রক্ষা কর প্রভু
                           পলাশ শিকদার

একফালি চাঁদের মাঝে এতখানি বিষাদ!
দেশ ও দশের মাঝে মিলেছে অবসাদ!
ঝড়ের তান্ডব শেষ হবার পরে
দেখা দিলো মনের অন্তরালে।
এ কেমন নিয়তি, এ কেমন তান্ডব!
মেনে নেওয়া যায় কী এমন ধ্বংসযজ্ঞ?

কৃষকের মাঠে ধান, পাট আর সবজির ক্ষতি
ড়ের কারণে মিলেছে মনের অশান্তি।
জৈষ্ঠ্যর মাঝামাঝি হলো এমন নাশ,
দেখেও নাই প্রবীণেরা এমন বিনাশ!

গরীবের বাড়ি-ঘর হয়েছে বিলীন
মাথায় পরেছে হাত, চেহারা মলিন!
এমন প্রলয় দিয়ো না কভু
সর্বসাধারণেরে রক্ষা কর প্রভু।
এই মিনতি করি দু'হাত তুলি
তোমারি সন্তান যে আমরা সকলি...

Friday, May 22, 2020

৫৮★ অসমাপ্ত কাহিনী_দেবব্রত পাল


🍀🍀অসমাপ্ত কাহিনী🍀🍀
                     দেবব্রত পাল

গল্প, উপনাস, প্রবন্ধ এগুলো পড়তে আমার বেশ ভালো লাগে। আমি প্রায়ই গল্পের বই পড়ি। কখনো গোপাল ভাড়, কখনো চাঁদের বুড়ি ম্যাজিক ম্যান, কখন বা Hunter the Ghost, After the Trove, Ghost the house ইত্যাদি।

একদিন আমার খুড় মশায় কোলকাতা থেকে আমাদের বাড়িতে এলেন। দশ-পনের দিন ছিলেন আমাদের বাড়িতে। উনি জানতেন যে আমি বই পড়তে ভালোবাসি। তো উনি কোলকাতা থেকে আসার সময় আমার জন্য রবি ঠাকুরের একটা গল্পের বই নিয়ে  এলেন। তাতে আনেকগুলো গল্প ছিলো। ঐ গল্পগুলোর মধ্যে থেকে আমার একটা গল্প বেশ ভালো লেগেছিল গল্পটির নাম হলো 'গুপ্তধন'।
এই গল্পটি পড়ার পর আমার মাঝে  অন্য রকম পরিবর্তন আসলো।
যাই হোক পরের বার যখন খুড় মশায় আবার এলেন তখন উনার সাথে ঘুড়তে গিয়েছিলাম ওনার মামার বাড়িতে 'শ্রীনগর'।

আমি, খুড় মশায় আর খুড়তুত ভাই সুব্রত। ওর সাথে ছিলো আমার খুব ভাব, নামেও যেমন কাজেও তেমন। সুব্রত আর দেবব্রত। তখন ছিলো আষাঢ়  মাস। শ্রী শয়নৈকাদশীর দিন আমরা যাত্রা শুরু করলাম ট্রেন পথে। বেশ ভালো লাগছিলো। যাত্রা পথে সুব্রত আমায় বলছিলো যে দেবব্রত জানিস, শ্রীনগরে মানে আমার বাবার মামার বাড়ি থেকে দুই কিলোমিটার দূরে একটা জমিদার বাড়ি আছে।ওখানে কেউ যায় না। ওটা নাকি খাড়া বাড়ি নামে কথিত। কথা বলতে বলতে আমাদের ট্রেন শ্রীনগর স্টেশনে এসে থামলো।

খুড় মশায় একটা রিকশা ভাড়া করে। স্টেশন থেকে চার কিলোমিটার পথ খুড় মশায় এর মামার বাড়ি। রিকশা চড়ে যাচ্ছিলাম আমরা তিন জন। চার দিকে পাহাড় আর ঝোপঝাড়ে ঘেরা। কেমন যেনো নির্জন! জন-মানবহীন একটা গ্রাম। লোকজন তেমন নেই।গ্রামটির অবস্থা এমন যে দুই-এক কিলোমিটার পরে একটি কুঁড়েঘর দেখা যায়। যদিও গ্রামটি দেখতে অদ্ভুত তবুও বেশ ভালো লাগছিলো।
যাই হোক অবশেষে ঠাকুর দাদুর বাড়ি এসে উঠলাম।বিকাল হয়ে গেলো, একাদশীতে রাত্রে ওখানে হরি বাসর আয়োজন করা হয়। আমি আর দাদাভাই কিছুক্ষণ ছিলাম তার পরে ঘুমিয়ে পড়লাম।

সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে স্নান  করে পূজা শেষে পারনটা সেরে নিলাম। যতই সময় যাচ্ছে, জমিদার বাড়ি সম্পর্কে আমার কৌতূহল যেনো বেড়েই চলছে।

অবশেষে সময় হলো ওই ঘন মুহূর্তের। দুপুরবেলা খাওয়া শেষ করে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আমি, সুব্রত, আর ভোলা নামে এক ছেলেকে নিয়ে হাঁটতে বের হলাম। হাঁটতে হাঁটতে আমরা জমিদার বাড়ির নিকটে এসে পৌঁছলাম। যদিও বর্ষা কাল কিন্তু তখন বৃষ্টি ছিলো না বরং রোদের ভীষণ তাপ ছিলো। জমিদার বাড়িটি দেখতে ছিলো অসাধারণ। কি সুন্দর  কারুকার্য আর ঝোপঝাড়ে ঘেরা! যদিও জমিদার বাড়িটিকে খাড়া বাড়ি বলা হতো কিন্তু আমাদের তিন জনের চোখে কোনো ভয় ছিলো না। গাছ পালা আর লতাপাতায় ঘেরা থাকার করণে বেশ অন্ধকার ছিলো বাড়িটি। ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না সূর্যদেব অস্তমিত হলো কিনা(?) ভোলার হাতে একটা টর্সলাইট ছিলো ঐ টসলাইটের আলোতে আমরা তিন জন হাঁটতেছিলাম।
জমিদার বাড়ির প্রবেশদ্বারে উত্তর-পূর্ব কোণে একটা মন্দির দেখতে পেলাম। মন্দিরে বিশাল বড় একটি শালগ্রাম শিলার নারায়ণের মুর্তি দেখতে পেলাম।ভোলার কাছে জানতে পারলাম স্বয়ং জমিদার দ্বদিক নারায়ণ নাকি এই শালগ্রাম শিলার পূজা করতেন।

মন্দিরে চারটি স্তম্ভ ছিলো। তার মধ্যে একটি প্রায় নেই বললেই চলে। মন্দিরে পিছনে, জমিদার বাড়ির পূর্ব-দক্ষিণ কোণে একটা পুকুর ছিলো।
হঠাৎ  মন্দিরের পিছন থেকে একটা বিড়ালের মিউ মিউ শব্দ শুনে আমরা তিনজন ভয় পেয়ে যাই! তিন জনের শরীর চমকে উঠলো। হঠাৎ করে আমার কানে যেনো নূপুরের শব্দ ভেসে আসতে লাগলো। শব্দটা আসছিলো ঠিক পুকুর ঘাট থেকে। কিন্তু শব্দটি আমি ছাড়া ওরা শুনতে পাচ্ছিলোনা।
যদিও পূর্ণিমার আলোতে পথ দেখা যাচ্ছিলো তবুও  আমি ভোলার কাছে থেকে টর্স লাইটটা চেয়ে নিলাম।আর ধীরে ধীরে পুকুর ঘাটের দিকে এগিয়ে চললাম।হঠাৎ আমার মাথায় কিশের যেনো আঘাত পেলাম। আমার হাত থেকে টর্সলাইটি পড়ে গেলো। পড়ে যাওয়া লাইটের আলোতে ঘাটে পড়ে থাকা একটি নূপুর দেখতে পেলাম।
আমার মাথা ঘুরাচ্ছে, চোখ বুজে আসছে। যখন চোখ খুলি তখন দেখি আমি ঠাকুর দাদুর বাড়িতে শুয়ে আছি!
মাথা ভীষণ ব্যথা করছে আর গায়ে ভীষণ জ্বর! আস্তে আস্তে আমি সুস্থ হয়ে উঠলাম।
ওরা ভয়ে ঐ জমিদার বাড়ি যাওয়ার কথা কাউকে বললো না। জানি না কী বলে বুঝালো বাড়ির সবাইকে। আমি আর ঐ নূপুর এর কথা ওদেরকে বলিনি। ঐ নূপুরটির কাহিনী আমার কাছে এখনো অসমাপ্তই রয়ে গেলো...

Saturday, May 2, 2020

৫৭★ গীতিকবি সঞ্জয় শীলের জন্মদিনে || তরুণ ধর্মের আলো

গীতিকবি সঞ্জয় শীলের জন্মদিনে ||

         তরুণ ধর্মের আলো


জনপ্রিয় গীতিকবি সঞ্জয় শীলের জন্মদিন আজ (৩ মে) । ১৯৮০ সালের এইদিনে মামা বাড়ি ঢাকার নবাবগঞ্জের আগলা চৌকিঘাটায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পৈতৃক নিবাস মাদারীপুরের শিবচরের শিরুয়াইল গ্রামে।

পিতৃদেব বিমল শীল ও মাতৃদেবী জ্যোৎস্না রানী শীল। চার ভাই বোনের মধ্যে তিনি বড়।
'প্রেম কুঞ্জো, জীবন গাড়ি, মরণ গাড়ি, বিচার , সুখ নাই, এই অভাগী, ভাবের মানুষ, আমি যে একা অ্যালবামসহ আরো অসংখ্য গান রয়েছে তার। 

ইউটিউবে "সঞ্জয় শীল/SANJOY SHIL" লিখে সার্চ দিলেই অসংখ্যা তাঁর গান পাওয়া যায়। অনেক গান হয়তো আপনার শোনাও আছে হয়তো জানা হয়নি গানের গীতিকবি কে?

সঞ্জয় শীলের ছোটবেলা কেটেছে মাদারীপুর জেলার শিবচরের শিরুয়াইলে। তিনি কদমবাড়ির 'মহামানব গণেশ পাগলে এক পরম ভক্ত! সর্বদা তিনি তাঁর চরণ প্রার্থী। পাগলের কাছে আমরাও প্রার্থনা করি...
সঞ্জয় শীলের বাবা একজন বাউল শিল্পী ছিলেন। তাঁর কাছ থেকে সঙ্গীতের অনেক কিছু শিখেছেন।

সংগীতকে ভালোবেসে অবিরাম পথ চলছেন তিনি...
আমরা তাঁকে পেয়ে সত্যিই আনন্দিত! জন্মদিনে দাদার প্রতি জানাই 'তরুণ ধর্মের আলো' সংগঠন থেকে জন্মদিনের 'সঙ্গীত-শুভেচ্ছা'। দাদার জন্য আমরা সর্বদা শুভ কামনা স্রষ্টার কাছে!...
সেই সাথে 'গীতিকবি সঞ্জয় শীলকে এই সংগঠনের সদস্য হিসেবে গ্রহণ করা হলো।' জীবনের বাকিটা পথচলা হোক সুস্থ-সুন্দর!

তিনি, সকলের কাছে আশির্বাদ প্রার্থনা করে সবার জন্য শুভ কামনা করে বলেন যে, সবাই ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন। সতর্কতা অবলম্বন করুন। এই মহামারি থেকে পৃথিবী মুক্ত হয়ে আলোর মুখ দেখুক আবার।'

জয়হো মানবতার, জয় হোক সংগীতের,
             জয় হোক সনাতনের।

সুব্রত মণ্ডল সৃজন
সভাপতি
|| তরুণ ধর্মের আলো ||
|| ০৩ মে, মুজিববর্ষ || দিঘলকান্দি ||

Friday, May 1, 2020

৫৬★ সবার_উদ্দেশ্যে_সতর্কমূলক_কথা || তরুণ ধর্মের আলো

ওঁ তৎ সৎ

             #সবার_উদ্দেশ্যে_সতর্কমূলক_কথা

সুধী ভক্তমণ্ডলী প্রণাম গ্রহণ করুন!
'তরুণ ধর্মের আলো' সংগঠনে সংযুক্ত সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, এই সংগঠন আপনার, আমার, আমাদের তথা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্বজনীন সংগঠন।

[★কোন মত-পথকে ছোট করে দেখা বা বদনাম রটানো,
★কেউ যাতে মনে কষ্ট পায় এমন পোস্ট বা মন্তব্য করা,
★অসৌজন্যমূলক কথা বলা বা আচরণ করা এবং
★কারো মনে কষ্ট দেয়া সংগঠনের উদ্দেশ্য নয়।]

কারো কোনো বিষয়ে জানতে প্রয়োজন হলে, বিনম্র চিত্তে জিজ্ঞাসা করুন এবং অন্যদের জিজ্ঞাসার যথাসম্ভব উত্তর দেবার চেষ্টা করুন।
উত্তর মনমত হলে ভালো (কৃতজ্ঞতা স্বীকার করুন),
না হলে কষ্ট না নিয়ে অন্যত্র জিজ্ঞাসা করতে পারেন (কটাক্ষমূলক পাল্টা প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়)।
সবার জানার মতো কোনো তথ্য, লেখা (যথাসম্ভব তথ্যসূত্রসহ) বা যেকোনো মতামত থাকলে অবশ্যই সুন্দর করে প্রকাশ করতে অনুরোধ করা হলো!...

আমরা চাই, যে যার 'মত-পথ' নিয়েই থাকুন না কেন, সেটাতে বিশ্বাস, ভক্তি থাকা ভালো। তাই বলে অন্য মত-পথের বিরুদ্ধাচরণ করে কারো মনে কষ্ট না দেয়াই উত্তম বলে মনে করি।

[আমাদের উদ্দেশ্য,
★সবাই যাতে মিলেমিশে থাকতে পারি,
★সত্যকে জানা, জীবনে প্রয়োগ ও মানুষের মাঝে প্রকাশ করা।
★কুসংস্কার দূরীকরণে সদা সচেষ্ট থাকা]

[একটা কথা মনে রাখতে হবে, 'ভক্ত হতে যেন বিভক্ত না হই।' আমরা সনাতনী, যেন ভুলে না যাই! যেন স্মরণে থাকে, 'যাহা সত্য তাহা সনাতন!'
জয় হোক সনাতনের, জয় হোক মানবতার।]

"আসুন আমরা মানুষ হবার পথে চলি...! আঁধারে জ্বালাই আলো"।

স্মরণে রাখতে হবে সংগঠনের মূলমন্ত্র, "ভালোবাসাই ধর্ম, ঘৃণা করাই পাপ।" তাই ভালোবাসায় জীবন উৎসর্গ করি, পাপ থেকে দূরে থাকি।

সকলের কল্যাণ প্রার্থনায় —
                         — "তরুণ ধর্মের আলো"

[বি:দ্র: এই সংগঠনের উদ্দশ্য ও কার্যক্রম যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে আপনার সনাতনী বন্ধুকেও সংযুক্ত করুন! নিজে জেনে অন্যদেরও জানান! সকলের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আলোচনা করুন।
★সংগঠন সম্পর্কিত কারো কোনো সমস্যা বা অভিযোগ থাকলে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো][Email : tdadk2015@gmail.com ]

#বাণীতে :
সভাপতির আনুরোধে
সুমন ভদ্র, সম্পাদক, তরুণ ধর্মের আলো

৫৫★ সত্যটা_জানার_প্রায়শ_করি || বলাই কুমার পাল || ইরাক || তরুণ ধর্মের আলো


👏👏ওঁ তৎ সৎ👏👏
#সত্যটা_জানার_প্রায়শ_করি
বলাই কুমার পাল, ইরাক

সনাতন ধর্মের যে সকল কুসংস্কার নিয়ে জর্জরিত তা থেকে আজ একটা বিষয় নিয়ে লিখছি। যেটা অত্যন্ত লজ্জার বিষয়! সনতাতন ধর্মে যে সকল ব্রাহ্মণেরা নিজেদেরকে অনেক বড় মনে করে, হিন্দু জাতির মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি করে রেখেছে...
আসুন, সত্যটা জানার প্রায়শ করি—
🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄
চাতুর্বর্ণ্যং ময়া সৃষ্টং গুণকর্মবিভাগশঃ৷
তস্য কর্তারমপি মাং বিদ্ধ্যকর্তারমব্যয়ম্৷৷১৩/০৪

অর্থ:  প্রকৃতির তিনটি গুণ এবং কর্ম অনুসারে আমি মনুষ্য সমাজে চারটি বর্ণবিভাগ সৃষ্টি করেছি। আমিই এই প্রথার স্রষ্টা হলেও আমাকে অকর্তা এবং অব্যয় বলে জানবে।

যেখানে, ভগবান স্ময়ং বলেছেন, কর্ম অনুযায়ী তার বর্ণের সৃষ্টি হয়, অর্থাৎ, ব্রাহ্মণ ঘরে জন্ম নিলে তার যদি ব্রহ্ম জ্ঞান না থাকে তাহলে সে কদাপি ব্রাহ্মণ হতে পারে না।...

আসুন এবার জাতিভেদ  ও বর্ণ নির্ণয় দেখে নিই—

মহাভারতে শান্তি পর্বে (১৮৮) মহর্ষি ভৃগু বলেছেন,
ইত্যেতৈঃ কর্মভি র্ব্যস্তা দ্বিজা বর্ণান্তরং গতাঃ।

ব্রহ্মার নির্দেশ হচ্ছে,,,
শুদ্ধাত্মা বিজিতেন্দ্রিয়ঃ শূদ্রোহপি দ্বিজবৎ সেব্যঃ
ইতি ব্রহ্মাহব্রবীৎ স্বয়ং।।

অর্থাৎ,, পবিত্র চিত্ত, জিতেন্দ্রিয় শূদ্রকেও দ্বিজের মত সেবা করা উচিৎ—স্বয়ং ব্রহ্মা একথা বলেছে।

চরিত্র দ্বারাই একজনের ব্রাহ্মণত্ব নির্ণয় করতে হবে, বংশ, উপনয়নাদি সংস্কার, খ্যাতি বা জন্মের জন্য কেউ ব্রাহ্মণ  হবে না।

মহাভারতের অনুশাসন পর্বে (১৪৪) বলা হয়েছে,,
বৃত্তে স্থিতস্তুু শূদ্রোহপি ব্রাহ্মণত্বং নিযচ্ছতি।
(সচ্চরিত্রতার জন্য শূদ্রও ব্রাহ্মণত্ব লাভ করে।)

মহাভারতে বনপর্বে  (১৮০) পাই,
শূদ্রে  তু যদ্ভবেল্লক্ষ্যং দ্বিজে তচ্চ ন বিদ্যতে।
ন বৈ শূদ্রো ভবেচ্ছৃদ্রো ব্রাহ্মণো ন চ ব্রাহ্মণঃ।।
অর্থাৎ, ব্রাহ্মণের শম, দম প্রভূতি লক্ষণ শূদ্রে থাকলে সে শূদ্র শূদ্র নয়, ব্রাহ্মণে ব্রাহ্মণত্বের  লক্ষণ না থাকলে সে ব্রাহ্মণ  ব্রাহ্মণ  নয়।

মহাপ্রভূ শ্রীচৈন্যদেব বলেছেন,
চন্ডালোহপি  দ্বিজশ্রেষ্ঠঃ হরিভক্তি পরায়ণঃ।
হরিভক্তি পরায়ণ চন্ডালও দ্বিজ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।।

👏👏👏👏👏হরে কৃষ্ণ👏👏👏👏👏👏👏

‌সকল সনাতনী  ভাই ও বোনদের অনুরোধ করে বলছি, লেখাটা শেয়ার করো, সত্যটা জানাও।।

👏ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।👏

___________====____________
প্রকাশনায় : #তরুণ_ধর্মের_আলো