👏👏ওঁ তৎ সৎ👏👏
#সত্যটা_জানার_প্রায়শ_করি
বলাই কুমার পাল, ইরাক
সনাতন ধর্মের যে সকল কুসংস্কার নিয়ে জর্জরিত তা থেকে আজ একটা বিষয় নিয়ে লিখছি। যেটা অত্যন্ত লজ্জার বিষয়! সনতাতন ধর্মে যে সকল ব্রাহ্মণেরা নিজেদেরকে অনেক বড় মনে করে, হিন্দু জাতির মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি করে রেখেছে...
আসুন, সত্যটা জানার প্রায়শ করি—
🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄
চাতুর্বর্ণ্যং ময়া সৃষ্টং গুণকর্মবিভাগশঃ৷
তস্য কর্তারমপি মাং বিদ্ধ্যকর্তারমব্যয়ম্৷৷১৩/০৪
অর্থ: প্রকৃতির তিনটি গুণ এবং কর্ম অনুসারে আমি মনুষ্য সমাজে চারটি বর্ণবিভাগ সৃষ্টি করেছি। আমিই এই প্রথার স্রষ্টা হলেও আমাকে অকর্তা এবং অব্যয় বলে জানবে।
যেখানে, ভগবান স্ময়ং বলেছেন, কর্ম অনুযায়ী তার বর্ণের সৃষ্টি হয়, অর্থাৎ, ব্রাহ্মণ ঘরে জন্ম নিলে তার যদি ব্রহ্ম জ্ঞান না থাকে তাহলে সে কদাপি ব্রাহ্মণ হতে পারে না।...
আসুন এবার জাতিভেদ ও বর্ণ নির্ণয় দেখে নিই—
মহাভারতে শান্তি পর্বে (১৮৮) মহর্ষি ভৃগু বলেছেন,
ইত্যেতৈঃ কর্মভি র্ব্যস্তা দ্বিজা বর্ণান্তরং গতাঃ।
ব্রহ্মার নির্দেশ হচ্ছে,,,
শুদ্ধাত্মা বিজিতেন্দ্রিয়ঃ শূদ্রোহপি দ্বিজবৎ সেব্যঃ
ইতি ব্রহ্মাহব্রবীৎ স্বয়ং।।
অর্থাৎ,, পবিত্র চিত্ত, জিতেন্দ্রিয় শূদ্রকেও দ্বিজের মত সেবা করা উচিৎ—স্বয়ং ব্রহ্মা একথা বলেছে।
চরিত্র দ্বারাই একজনের ব্রাহ্মণত্ব নির্ণয় করতে হবে, বংশ, উপনয়নাদি সংস্কার, খ্যাতি বা জন্মের জন্য কেউ ব্রাহ্মণ হবে না।
মহাভারতের অনুশাসন পর্বে (১৪৪) বলা হয়েছে,,
বৃত্তে স্থিতস্তুু শূদ্রোহপি ব্রাহ্মণত্বং নিযচ্ছতি।
(সচ্চরিত্রতার জন্য শূদ্রও ব্রাহ্মণত্ব লাভ করে।)
মহাভারতে বনপর্বে (১৮০) পাই,
শূদ্রে তু যদ্ভবেল্লক্ষ্যং দ্বিজে তচ্চ ন বিদ্যতে।
ন বৈ শূদ্রো ভবেচ্ছৃদ্রো ব্রাহ্মণো ন চ ব্রাহ্মণঃ।।
অর্থাৎ, ব্রাহ্মণের শম, দম প্রভূতি লক্ষণ শূদ্রে থাকলে সে শূদ্র শূদ্র নয়, ব্রাহ্মণে ব্রাহ্মণত্বের লক্ষণ না থাকলে সে ব্রাহ্মণ ব্রাহ্মণ নয়।
মহাপ্রভূ শ্রীচৈন্যদেব বলেছেন,
চন্ডালোহপি দ্বিজশ্রেষ্ঠঃ হরিভক্তি পরায়ণঃ।
হরিভক্তি পরায়ণ চন্ডালও দ্বিজ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।।
👏👏👏👏👏হরে কৃষ্ণ👏👏👏👏👏👏👏
সকল সনাতনী ভাই ও বোনদের অনুরোধ করে বলছি, লেখাটা শেয়ার করো, সত্যটা জানাও।।
👏ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।👏
___________====____________
প্রকাশনায় : #তরুণ_ধর্মের_আলো
No comments:
Post a Comment